বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস এর ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল নাবালিকা। অবশেষে নাবালিকাকে বিয়ে করতে রাজি হল যুবক।

24th December 2020 1:54 pm News
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস এর ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল নাবালিকা। অবশেষে নাবালিকাকে বিয়ে করতে রাজি হল যুবক।


বীরভূমের সিউড়িতে সম্পন্ন হল বিতর্কিত একটি বিয়ে। বীরভূমের সিউড়ি নিবাসী এক যুবক ওই গ্রামের এই বাসিন্দা এক নাবালিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল। ওই যুবকের বয়স প্রায় ২৭ বছর এবং নাবালিকার বয়স ১৬ বছর। দুজনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর নিয়মিত তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হতে থাকে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বারবার লুকিয়ে ওই নাবালিকার বাড়িতে যেতো অভিযুক্ত যুবক এবং ওই নাবালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতো। এক সময় ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। তখনই ওই নাবালিকাকে বিয়ে করতে মেয়েকে বসে অভিযুক্ত যুবক। তখন ওই যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন নাবালিকার পরিবার। নাবালিকা হওয়ায় সেই মামলাটি সিউড়ির পক্সো আদালতে দায়ের হয়। সেখানে ওই যুবক বিচারকের কাছে দাবি জানায় যে সে ওই নাবালিকাকে বিয়ে করতে প্রস্তুত। আদালত এই প্রস্তাবে সম্মতি দেয়। 
আদালত চত্বরে ইসলাম মতে বিয়ে সম্পন্ন হয় ওই যুবক এবং নাবালিকার।

তারপরেই ওই যুবকের জামিন মঞ্জুর করে আদালত। সরকারি আইনজীবী বলেছেন, দুই পক্ষের মতামত শুনে তবেই আদালত এই বিয়েতে সায় দিয়েছে। যাতে ওই যুবক এবং তরুণী শান্তিতে সংসার স্থাপন করতে পারে এখন সেটাই কাম্য।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।