পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন লিগমের এক দারুন উদ্যোগ ! খুবই কম খরচে গঙ্গার বুকে ঘুরে বেড়ানো, সাথে আকর্ষণীয় খাবার

27th September 2020 9:57 pm Information
পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন লিগমের এক দারুন উদ্যোগ ! খুবই কম খরচে  গঙ্গার বুকে ঘুরে বেড়ানো, সাথে আকর্ষণীয় খাবার


বর্তমানের এই ভয়াবহ আবহে মানুষ ভুলতে বসেছে প্রাত্যহিক জীবনের বিনোদনের আস্বাদ। ভয়াবহ এই মহামারী করোনা ভাইরাস সমাজের বুকে মৃত্যুর এক ভয়াবহ আবহের সূচনা করেছে। সাধারণ মানুষ হয়েছে গৃহবন্দী। অর্থনৈতিক পরিকাঠামো বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রতিটি মানুষ শুধুমাত্র মৃত্যু ভয়ে তটস্থ হয়ে রয়েছে। ‌ যেন চারিদিকে এক বিভীষিকাময় পরিবেশ বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ ভুলতে বসেছে হাসি খুশি থাকা, আনন্দে থাকা। তারি মাঝে মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে যে খুব শীঘ্রই আবার অতীতের সেই চেনা পরিচিত চিত্রগুলি ফিরবে সমাজের বুকে। কেন্দ্রীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজ্য প্রশাসন মানুষের জীবনে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে দেওয়ার আপ্রান চেষ্টা করে চলেছে। এই নিরিখে এক দারুন উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন লিগম বা WBTC. 

আগামী দূর্গা পুজোর আগেই পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন নিগম, সাধারণ মানুষের জন্য শুরু করতে চলেছে, গঙ্গাবক্ষে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি শহরের মধ্যস্থিত বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে দেখা। সেইসাথে ভ্রমণকারীরা পাবেন আকর্ষণীয় খাবার-দাবারের আস্বাদ। 

পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন নিগম জানিয়েছে, আগামী ১লা অক্টোবর থেকেই এই আকর্ষণীয় ভ্রমণব্যবস্থা শুরু করতে চলেছে তারা। গঙ্গার বুকে লঞ্চের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এই ভ্রমণের আস্বাদ দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন নিগম সূত্রে জানা গিয়েছে যে, আপাতত কলকাতার মিলেনিয়াম পার্ক এর লাগোয়া জেটি থেকে এই প্রমোদ তরণী ছাড়া হবে। সোম থেকে শুক্রবার বিকেল ৪ টে থেকে ৬ টা পর্যন্ত এবং প্রতি সপ্তাহে শনিবার এবং রবিবার দুপুর ১২ টা থেকে দুপুর ২ টো এবং তারপরে বিকাল ৪ টে থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত গঙ্গার বুকে এই প্রমোদ তরণীতে  ঘুরে বেরিয়ে সীমাহীন আনন্দের স্পর্শ পেতে পারেন সাধারণ মানুষ। 

আরও জানা গিয়েছে যে, এই আকর্ষণীয় ভ্রমণ ব্যবস্থায় সকলের জন্যই থাকবে চা-কফি সহযোগে বিভিন্ন আকর্ষণীয় খাবারের বন্দোবস্ত। সেলফি তোলার বিশেষ জোন থাকবে এই লঞ্চে। এছাড়াও থাকবে সমগ্র যাত্রাপথে রবীন্দ্রসঙ্গীতের দারুন মূর্ছনা। 
তবে বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির এই ভয়াবহতার কথা মাথায় রেখে, এই ভ্রমন পরিকাঠামো কে সম্পূর্ণভাবে সতর্কতার সাথে পরিচালনা করা হবে। প্রতিটি যাত্রীর মধ্যে নির্দিষ্ট শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‌ সমগ্র লঞ্চটিতে প্রায় ১৪৫ জন মানুষের স্থান সংকুলান হতে পারবে। 
বর্তমানে যেখানে মানুষ, প্রতিটি মুহূর্ত মৃত্যুভয়'কে সঙ্গী করে দিন কাটাচ্ছেন, সেখানে মানুষকে কিছুটা আনন্দের স্পর্শ দেওয়ার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই।





Others News

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।


প্রতিটি মানুষ চান তার জীবন হোক সুখে এবং স্বাচ্ছ্যন্দে ভরপুর। সেই লক্ষ্যে সকলেই পরিশ্রম করে থাকেন। পরিশ্রম ব্যতীত কখনোই সাফল্য চট করে ধরা দেয় না। তবে অনেক সময় দেখা যায় অত্যধিক পরিশ্রম করেও  ‌ কিছুতেই অর্থ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হচ্ছে না । এর জন্য অনেকেই বিভিন্ন জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে অর্থভাগ্য ফিরিয়ে আনতে গেলে , বাড়িতেই আপনি এমন কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন যা আপনার জীবনে টাকা-পয়সার বর্ষণ ঘটিয়ে দেবে । দেখে নিন কি কি সেই জিনিস - 

১) চন্দন কাঠের টুকরো

চন্দন কাঠ অথবা চন্দন কাঠের কোন টুকরো বাড়িতে রাখলে এগুলি বাড়ির পক্ষে খুবই শুভ বলে বিবেচিত হয়। কোন অশুভ শক্তি বাড়ির মধ্যে তার প্রভাব ফেলতে পারে না। 

২) ঘিয়ের শিশি

বাড়িতে ঘুমের প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবানের সামনে রাখলে আর্থিক উন্নতি হয় খুবই দ্রুত। ঘিয়ের শিশি রেখে দিতে হবে বাড়িতে ঠাকুরঘরে‌ ।

৩) ময়ুরপালক

বাড়িতে ময়ূর পালক রাখা অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। ময়ূর পালক রাখলে কোন নেগেটিভ এনার্জি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, এবং আর্থিক উন্নতি হয় তাড়াতাড়ি। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মাথায় ময়ূরের পুচ্ছ বিরাজ করতো। 

৪) মধুর শিশি

বাড়িতে মধু রাখা অত্যন্ত শুভ বলে অনেক হিন্দুরাই মনে করেন। মধু আর্থিক উন্নতিতে একান্তই সহায়ক। 

৫) বাঁশি

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে সব সময় ধরা থাকত বাঁশি। বাড়িতে বাঁশি রাখলে, আর্থিক উন্নতি হয় দ্রুত গতিতে। 

৬) দক্ষিণামুখী শঙ্খ

ঠাকুর ঘরে ঠাকুরের কাছে দক্ষিণামুখী শঙ্খ রাখলে এবং রোজ সেই শঙ্খে জল দিলে আর্থিক উন্নতি আপনার কেউ আটকাতে পারবেনা।