বীরভূমের শান্তিনিকেতনে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক সমেত গ্রেপ্তার চারজন বাংলাদেশি দুর্বৃত্ত।

28th September 2020 3:21 pm News
 বীরভূমের শান্তিনিকেতনে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক সমেত গ্রেপ্তার চারজন বাংলাদেশি দুর্বৃত্ত।


অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে বাংলার বুকে । বীরভূমের শান্তিনিকেতন এ অস্ত্র এবং বিস্ফোরকসহ চার বাংলাদেশী দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে বীরভূম জেলা পুলিশ। ধৃত দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে মিলেছে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে শান্তিনিকেতনের একটি বাড়ি থেকে এই চার দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়, সেই সাথে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজন স্থানীয় কে'ও। 

দুষ্কৃতীদের জেরা করে মিলেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে বীরভূমের একজন বড় মাপের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা কে খুনের জন্য ওই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের সুপারি দেওয়া হয়েছিল মোটা টাকার বিনিময়ে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতেই বাংলাদেশ থেকে ওই দুষ্কৃতীরা এখানে আসে। দুষ্কৃতীদের জেরা করে আরও জানা গিয়েছে যে, মেদিনীপুর জেলে বন্দী কোন এক কুখ্যাত আসামির দেওয়ার সুপারি অনুযায়ী তারা এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার প্রচেষ্টায় ছিল। দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে পাওয়া আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে পুলিশের অনুমান, শুধুমাত্র ওই নেতা নন, আরও সাত থেকে আট জনকে খুনের পরিকল্পনা ছিল ওই দুষ্কৃতীদের। এখনো পর্যন্ত টানা জেরা করা হচ্ছে ওই দুষ্কৃতীদের। 

আগামী ২০২১ 'এ বিধানসভা ভোট রয়েছে রাজ্যে। তার আগেই এই দুষ্কৃতীরা ধরা পড়ায় পুলিশ অনুমান করছে, ভোটের আগে বড়সড়ো হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে রাজনৈতিক পটভূমিকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করতে সচেষ্ট ছিল দুষ্কৃতীরা। এই হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যে সুপারি দেওয়ার নেপথ্যে আসল মাথাটি কে, তা খুঁজে বার করতে মরিয়া পুলিশ। 
অভিযুক্তদের বীরভুমের বোলপুর আদালতে তোলা হয়েছে। পুলিশ এটাও জানিয়েছে যে ওই দুষ্কৃতী দের কাছ থেকে আরও স্থানীয় কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে চাঁদের বাড়ি হল বীরভূমের লাভপুর এবং নানুর এলাকায়। কোন রাজনৈতিক নেতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাদের সুপারি দেওয়া হয়েছিল, তা জানতে ঐ দুষ্কৃতীদের দফায় দফায় জেরা করছে বীরভূম পুলিশ। 

বড় মাপের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। আরো কোন দুষ্কৃতী এই সুপারির সাথে জড়িয়ে আছে কিনা তা জানতে হন্যে হয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।