ভারতের মাটিতে বর্ষা পদার্পন করেছিলো গত পয়লা জুন। তারপর থেকেই বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সময়ে বৃষ্টির ঘনঘটা দেখা গিয়েছে। উত্তরবঙ্গে বন্যার তান্ডব দেখেছে রাজ্যবাসী। এছাড়া আসামের বুকেও বন্যা অত্যন্ত তাণ্ডব চালিয়েছে। মালদা থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদ প্রভৃতি জেলায় গাঙ্গেয় উপকূলবর্তী অঞ্চলে ভাঙ্গনের দেখা মিলেছে। যার ফলে সন্ত্রস্ত হয়েছে রাজ্যবাসী।
সারা দেশ জুড়ে করোনাভাইরাসের এই তান্ডব চলাকালীন বৃষ্টির ঘনঘটা তেও নাজেহাল হয়েছে দেশবাসী। প্রতিবারের থেকে এবারে বর্ষা তুলনামূলক বেশি তান্ডব চালিয়েছে দেশজুড়ে।
আবহাওয়া দপ্তর এর রিপোর্ট অনুযায়ী আজকে কলকাতার কিছু জায়গায় সকালের দিকে একদমই হালকা বৃষ্টির দেখা মিলেছে। আজ কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১ ডিগ্রি বেশী এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩ ডিগ্রি বেশী। আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস জারি করেছে যে, আজ রাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, হিমালয়ের কাছে পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্তের সূচনা হয়েছে। দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু অবস্থান করছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে ঝাড়খন্ড এবং বিহারের ঠিক উপরে। যার জন্য এ রাজ্যে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির দেখা পাওয়া যেতে পারে।
সমগ্র দক্ষিণ বঙ্গে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে। আদ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে বলে জানা গিয়েছে। তবে আবহাওয়া দপ্তর এটাও জানিয়েছে যে সেরকম ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। ঘূর্ণাবর্ত এবং মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বেশ কিছু জায়গায় ঝড়-বৃষ্টির উঁকিঝুঁকি ধরা দিতে পারে দক্ষিণবঙ্গে।