হাথরসে যাওয়ার পথে রাহুল গান্ধীকে আটকালো পুলিশ। পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলেন রাহুল

1st October 2020 4:00 pm News
হাথরসে যাওয়ার পথে রাহুল গান্ধীকে আটকালো পুলিশ। পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলেন রাহুল


উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে এক তরুণীকে পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ করে তার জিভ কেটে নিয়েছে অভিযুক্ত দুর্বৃত্তরা। তার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বলরামপুরেও এক তরুণীকে পাশবিক ধর্ষণ করা হয়। সারাদেশ উথাল পাথাল হয়েছে এই দুটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সারা দেশের মধ্যে মানুষজন ক্ষোভে ফুঁসছেন এই দুটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। চারদিকে সমবেতভাবে মানুষ প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও গর্জে উঠেছে মানুষের প্রতিবাদ। 
অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন সকলেই। 
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এর ইস্তফার দাবি জানিয়েছেন। 

 হাথরাসের গণধর্ষণকাণ্ডে অতিসত্বর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সারাদেশে বৃহত্তর  বিক্ষোভের মুখে পড়ে যোগী আদিত্যনাথ তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সারাদেশ ফুঁসছে পরপর এই ঘটনায়। সকলেই বলছেন চরম অরাজক এবং অব্যবস্থার রাজ্যে পরিণত হয়েছে উত্তর প্রদেশ।

আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে নির্যাতিতা তরুণীর পরিবারের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। যাওয়ার পথে দফায় দফায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আটকায় রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কাকে। উত্তরপ্রদেশের ঢোকার আগেই নয়ডা'তে রাহুল গান্ধী কে আটকায় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে প্রবল ধস্তাধস্তি শুরু হয় কংগ্রেস সমর্থকদের। এর মাঝেই পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে যান রাহুল গান্ধী। এরপরে পায়ে হেঁটেই হাথরাসের উদ্দেশ্যে হাঁটা দেন রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। 
রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কাকে ঘিরে রেখেছিলো উত্তর প্রদেশে পুলিশের বিশালাকার বাহিনী। 

সারাদেশেই ধর্ষণ ঘটনায় বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে রয়েছে। উত্তর প্রদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তারা হাথরাসের ধর্ষণকাণ্ডে মৃত তরুনীর দেহ বাড়িতে না নিয়ে গিয়ে চুপি চুপি জ্বালিয়ে দিয়েছে চাষ জমিতে।  এরই মাঝে রাহুলকে এভাবে আটকে দেওয়ায় উত্তর প্রদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের সরব হয়েছেন অনেকেই। আবার শোনা গিয়েছে যে রাহুলকে নাকি গ্রেপ্তার করেছে উত্তরপ্রদেশের পুলিশ।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।