উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে এক তরুণীকে পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ করে তার জিভ কেটে নিয়েছে অভিযুক্ত দুর্বৃত্তরা। তার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বলরামপুরেও এক তরুণীকে পাশবিক ধর্ষণ করা হয়। সারাদেশ উথাল পাথাল হয়েছে এই দুটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সারা দেশের মধ্যে মানুষজন ক্ষোভে ফুঁসছেন এই দুটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। চারদিকে সমবেতভাবে মানুষ প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও গর্জে উঠেছে মানুষের প্রতিবাদ।
অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন সকলেই।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এর ইস্তফার দাবি জানিয়েছেন।
হাথরাসের গণধর্ষণকাণ্ডে অতিসত্বর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সারাদেশে বৃহত্তর বিক্ষোভের মুখে পড়ে যোগী আদিত্যনাথ তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সারাদেশ ফুঁসছে পরপর এই ঘটনায়। সকলেই বলছেন চরম অরাজক এবং অব্যবস্থার রাজ্যে পরিণত হয়েছে উত্তর প্রদেশ।
আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে নির্যাতিতা তরুণীর পরিবারের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। যাওয়ার পথে দফায় দফায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আটকায় রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কাকে। উত্তরপ্রদেশের ঢোকার আগেই নয়ডা'তে রাহুল গান্ধী কে আটকায় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে প্রবল ধস্তাধস্তি শুরু হয় কংগ্রেস সমর্থকদের। এর মাঝেই পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে যান রাহুল গান্ধী। এরপরে পায়ে হেঁটেই হাথরাসের উদ্দেশ্যে হাঁটা দেন রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কাকে ঘিরে রেখেছিলো উত্তর প্রদেশে পুলিশের বিশালাকার বাহিনী।
সারাদেশেই ধর্ষণ ঘটনায় বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে রয়েছে। উত্তর প্রদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তারা হাথরাসের ধর্ষণকাণ্ডে মৃত তরুনীর দেহ বাড়িতে না নিয়ে গিয়ে চুপি চুপি জ্বালিয়ে দিয়েছে চাষ জমিতে। এরই মাঝে রাহুলকে এভাবে আটকে দেওয়ায় উত্তর প্রদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের সরব হয়েছেন অনেকেই। আবার শোনা গিয়েছে যে রাহুলকে নাকি গ্রেপ্তার করেছে উত্তরপ্রদেশের পুলিশ।