থামছে না বর্বরতা। আবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো বিহারে।

3rd October 2020 5:02 pm News
থামছে না বর্বরতা। আবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো বিহারে।


উত্তরপ্রদেশের হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ড সারা ভারত জুড়ে প্রবল আলোড়ন ছড়িয়েছে। সকলেই প্রতিবাদে পথে নেমে এসেছেন। হাথরাসে নির্যাতিতা দলিত তরুণীকে যেভাবে পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে তার ভয়াবহতা দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছে মানুষজন। ওই অসহায় নির্যাতিতা প্রবল যন্ত্রণা কে সঙ্গী করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন। সারাদেশ বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে। আবার এই ঘটনার আবহের মধ্যেই আবার একটি বর্বর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বিহারে। দিন দিন যেন ভারতের বুকে নারী সুরক্ষার ব্যবস্থা প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়ে চলেছে। 

হাথরাসের ঘটনায় মতোই বিহারেও এই ঘটনায় ধর্ষক হল উচ্চবর্ণের মানুষজন এবং ধর্ষিতা হলেন নিম্নবর্ণের একজন তরুণী। ধর্ষণের পর লজ্জায়, অপমানে ওই হতভাগ্য তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। তরুণীর পরিবার অভিযোগ করেছে চারজন ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের গোয়া জেলায়। তরুনীর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী তিনজন ধর্ষকের নাম পাওয়া গিয়েছে। ধর্ষক তিনজনের নাম হল চিন্টু কুমার, চন্দন কুমার, রাহুল কুমার। গয়া মেডিকেল কলেজে আত্মঘাতী তরুণী দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে। 

জানা গিয়েছে ওই তরুণীকে একা পেয়ে চারজন টানতে টানতে নিয়ে যায় এবং পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ করে। বাড়ি ফিরে লজ্জায় অপমানে ওই তরুণী আত্মঘাতী হয়। আগামী ২৮ শে অক্টোবর বিহারে বিধানসভা ভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তার মধ্যেই এই নাটকীয় ঘটনা বিহার সরকার কে খুবই অসুস্থ তে ফেলে দিয়েছে। এর পাশাপাশি বিরোধী দল গুলি রিয়া সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দিয়েছে। 

শিক্ষা ক্ষেত্রে , রাজনৈতিক ক্ষেত্রে, উন্নতির দিকে ধাবিত হলেও ভারতের ক্রমেই পরপর এই ধরনের নারী নির্যাতনের ঘটনা সমাজকে কলঙ্কিত করে চলেছে। প্রতিটি মানুষের মধ্যে সঠিক শিক্ষা সঞ্চারিত হলেই তবেই এই ধরনের বর্বর ঘটনা গুলি সমাজ থেকে মুছে দেওয়া সম্ভব হবে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।