হাথরাসে নির্যাতিতার বাড়িতে যাওয়ার পথে যোগীর পুলিশ আটকালো নির্ভয়া মামলার আইনজীবী সীমা কুশ‌ওয়াহাকেও।

3rd October 2020 7:35 pm News
হাথরাসে নির্যাতিতার বাড়িতে যাওয়ার পথে যোগীর পুলিশ আটকালো নির্ভয়া মামলার আইনজীবী সীমা কুশ‌ওয়াহাকেও।


অরাজকতার শাসন চলছে উত্তরপ্রদেশে। হাথরাসে পৈশাচিক ধর্ষণের পর নির্যাতিতা তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় সারা ভারতজুড়ে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ সরকার চাপের মুখে তিন সদস্য বিশিষ্ট সিট গঠন করে তদন্ত চালালেও, তাদের তদন্তে কোনমতেই সন্তুষ্ট নয় দেশবাসী। হাথরাসের পর বলরামপুরেও এ রকমই এক পৈশাচিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরপর উত্তরপ্রদেশে এমন অন্ধকারময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার ফলে উত্তরপ্রদেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সকলেই। এমতাবস্থায় একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, হাথরাসে নিহত ওই তরুনীর বাড়িতে গিয়ে তরুনীর পরিবারের লোকজনকে রীতিমতো হুমকি দিচ্ছেন সেখানকার ডিএম। এই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সারা দেশ জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সকলেই উত্তরপ্রদেশ সরকারের এই ভূমিকা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন তুলেছেন। সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদের সম্মিলিত গর্জন।

এর আগেই রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে এবং সেইসাথে বিরোধী যেকোনো নেতা-নেত্রীকে হাথরাসে ঢুকতে দেয়নি যোগী আদিত্যনাথ এর পুলিশ। এবার পুলিশ আটকে দিল বিশিষ্ট আইনজীবী সীমা কুশ‌ওয়াহা'কেও। সীমা কুশ‌ওয়াহা হলেন সেই আইনজীবী যিনি ২০১২ সালের নির্ভয়া ধর্ষণ মামলায় নির্ভয়ার মায়ের আইনজীবী ছিলেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নির্ভয়া মামলার ৪ আসামী কে চলতি বছরেই মার্চ মাসে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হয়। এই সীমা কুশ‌ওয়াহা হাথরাসে নির্যাতিতার পরিবারের সাথে দেখা করতে চেয়ে ছিলেন। তিনি এই উদ্দেশ্যে নির্যাতিতার পরিবারের দিকে রওনা হলে তাঁকে আটকে দেয় যোগীর পুলিশ। দীর্ঘক্ষন তাঁর সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ। ‌সীমা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিনি যোগীর পুলিশের এই অভব্যতার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তিনি বলেছেন, "ওই অসহায় মেয়েটি যখন অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় ছিলো, সে ভালোভাবে কথাই বলতে পারছিলো না, তখন অবিলম্বে তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষা করা অবশ্যই উচিৎ ছিলো প্রশাসনের। কিন্তু সেটা করা হয়নি। এদিকে মৃত তরুণীর পরিবারের কাছে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাকে ওই তরুণীর পরিবারের লোক ডেকেছেন। কিন্তু পুলিশ সেখানে ঘেঁষতে দিচ্ছে না।" 

এভাবেই একের পর এক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তথা সংবাদমাধ্যমকেও হাথরাসের ওই নির্যাতিতা তরুণীর বাড়িতে যেতে বাধা দিয়ে চলেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। কিন্তু প্রশ্নটা এখানেই উঠছে যে , ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে কেন পুলিশ এভাবে সংবাদমাধ্যমকে এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বাধা দিচ্ছে সেখানে যেতে?





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।