চিনে নিন হাথরস কান্ডে সাড়া ফেলে দেওয়া সাংবাদিক বীরঙ্গনা তনুশ্রী পান্ডে কে।

5th October 2020 11:00 am News
চিনে নিন হাথরস কান্ডে সাড়া ফেলে দেওয়া সাংবাদিক বীরঙ্গনা তনুশ্রী পান্ডে কে।


উত্তর প্রদেশের হাথরসের তরুণীর গণধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় ফুঁসছে সারা ভারতবর্ষ। প্রতিটি মানুষ এই পৈশাচিক ঘটনায় তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। রাস্তায় রাস্তায় মানুষের বিক্ষোভ মিছিল চোখে পড়ছে। এই ঘটনার কাঁপিয়ে দিয়েছে সারা দেশকে। হাথরস কান্ডে সাহসিকতাকে সঙ্গী করে সাধারণ মানুষের কাছে পরিস্থিতির দৃশ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন দুই বীরাঙ্গনা সাংবাদিক। তাঁরা হলেন - তনুশ্রী পান্ডে এবং প্রতিমা মিশ্র। হাথরসে নির্যাতিতার দেহ উত্তরপ্রদেশ পুলিশ নির্যাতিতার বাড়ির কাছেই একটি ক্ষেতের মধ্যে চুপিসারে জ্বালিয়ে দিচ্ছিলো। এই ফুটেজটি সারা দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন তনুশ্রী পান্ডে। সারাদেশ যোগী সরকারের এই অব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়েছে। 

কিন্তু জানেন কি কে এই তনুশ্রী পান্ডে? কোথায় বাড়ি তাঁর? জানা গিয়েছে বর্তমানে এই বীরাঙ্গনা সাংবাদিক দিল্লির লাজপত নগর এর বাসিন্দা। তাঁর বয়স মাত্র ২৬ বছর। প্রায় ৬ বছরের কাছাকাছি তিনি সাংবাদিকতায় নিযুক্ত রয়েছেন। কিন্তু এতোটুকু বয়সেই তার নির্ভীক এবং দৃঢ় মানসিকতা, এবং সমগ্রদেশের কাছে অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে সংবাদ প্রদর্শনের বিষয়টি সারা দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত প্রশংসনীয় হয়েছে। এই বীরাঙ্গনা সাংবাদিক  আগাগোড়া নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসেন। তাঁর বাবা মা এখন থাকেন গুরগাঁও তে। তিনি বান্ধবীর সাথে থাকেন দিল্লিতে। কারণ তিনি যে পেশায় রয়েছেন তাতে তাঁকে যে কোন মুহূর্তে খবর কভার করার জন্য বেরিয়ে পড়তে হয়। ছোটবেলা থেকেই এই মেয়েটির দৃঢ় ইচ্ছা ছিল তিনি সাংবাদিক হবেন এবং সমাজের সমস্ত সত্য ঘটনা সুস্পষ্টভাবে জনমানসে উপস্থাপিত করবেন। সেই মতো ২০১৪ সাল থেকে তিনি সাংবাদিক জীবনের পথ চলা শুরু করেন। 

সম্প্রতি তাঁর দেখানো উত্তরপ্রদেশের হাথরসের নির্যাতিতার দেহ জ্বালিয়ে দেওয়ার ভিডিও ফুটেজ দেখে ঘৃণায় স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছে দেশ। সেই সাথে উত্তর প্রদেশে পুলিশের সামনে নির্ভীক ভাবে তাঁর প্রশ্ন করা সারা দেশবাসীর কাছে তাঁর দৃঢ় এবং সাহসী মানসিকতার বিষয়টি উন্মুক্ত করেছে। 
তিনি বরাবরই বলে আসছেন যে, সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি জীবনের পরোয়া করেন না। 
তবে এই খবর জোগাড় করতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের রোষানলে পড়ে গিয়েছেন তনুশ্রী পান্ডে। তনুশ্রী ফান্ডের ফোনে আড়ি পেতেছে উত্তরপ্রদেশ যোগী সরকার। সেখানে উত্তরপ্রদেশ সরকার তনুশ্রী পান্ডে বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে তনুশ্রী নাকি নির্যাতিতার পরিবার কে সরকারের বিরুদ্ধে উস্কে দিচ্ছিলেন। কিন্তু তনুশ্রী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন আমি শুধু সাংবাদিকের ধর্ম পালন করছি । ব্যাস ! এটুকুই। 

এই রকমই নির্ভীক এবং বীরঙ্গনা সাংবাদিকের দরকার রয়েছে দেশে। যাদের দেওয়া সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছালে প্রতিটি মানুষ সমাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে পারবে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।