সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছিলেন মহিলা। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হলো তাঁকে দীর্ঘ দুই বছর পর।

5th October 2020 5:36 pm News
সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছিলেন মহিলা। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হলো তাঁকে দীর্ঘ দুই বছর পর।


জীবনে অনেক সময়, এমন ঘটনার সম্মুখীন হই আমরা, যার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া আমাদের দ্বারা সম্ভব হয় না। এমন কিছু ঘটনা ঘটে যায় সমাজের মধ্যে যা একদমই অনভিপ্রেত। এরকম ঘটনার উদাহরণ ছড়িয়ে রয়েছে অনেক। ঠিক এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে কলম্বিয়ার বুকে। 

৪৫ বছর বয়সী এক মহিলা অ্যাঞ্জেলিকা গাইটান। স্বামীর অত্যাচারে ঘর ছেড়েছিলেন ওই মহিলা। নিরুপায় হয়ে ঘুরছিলেন রাস্তায় । তার প্রাক্তন প্রেমিক তাকে একটি অফিসে চাকরির বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন। কিন্তু একসময় সেই আশ্রয়ে টিও হারিয়ে যায় তাঁর। তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক ছেড়ে চলে যান তাঁকে। দুর্দশার চরম সীমায় নেমে যান ওই মহিলা। এক সময় তিনি ঠিক করেন নিজের জীবন শেষ করে দেবেন। তখনই তিনি সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়ে নিজের জীবন শেষ করে দিতে চেয়ে ছিলেন। সমুদ্রে ঝাঁপ দেওয়ার পর প্রায় ২ বছর ধরে নিরুদ্দেশ ছিলেন ওই মহিলা। তাঁকে নিরুদ্দেশ বলে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ দুই বছর পরে সমুদ্র থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হল ওই মহিলাকে। দীর্ঘ দুই বছর সমুদ্রেই ভেসে ছিলেন ওই মহিলা। উদ্ধার করার পর এই কথাটি নিজেই জানিয়েছেন ওই মহিলা। ওই মহিলাকে উদ্ধার করেছেন এক মৎস্যজীবী। তাঁর নাম রোনাল্ডো ভিসাবাল। অচৈতন্য অবস্থায় ওই মহিলাকে রোনাল্ডো উদ্ধার করেছিলেন। তিনি কলম্বিয়া থেকে ১.২ মাইল সমুদ্রের গভীরে মাছ ধরার সময় রাবার টিউবে ভেসে থাকা এবং প্রায় অবসন্ন সাহায্যের জন্য কোনোরকমে চিৎকার করতে থাকা অ্যাঞ্জেলিকা কে উদ্ধার করেন। উদ্ধার করার পর তাকে তড়িঘড়ি উপকূলে নিয়ে আসেন রোনাল্ডো। সাথে সাথে তাকে হসপিটালে ভর্তি করা হয়। 

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে ওই মৎস্যজীবী এবং ঈশ্বরকে অশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই মহিলা। ‌ তিনি বলেছেন ভগবানের অশেষ কৃপায় তিনি আবার নবজীবন লাভ করেছেন। তিনি ওই মৎস্যজীবীর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। 
কিন্তু দীর্ঘ দুই বছর কিভাবে তিনি সমুদ্রের বুকে তীব্র প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বেঁচে ছিলেন তা অত্যন্ত বিস্ময়ের বিষয়।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।