অনেকসময় সমাজে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যায় যা দেখে রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে যাই আমরা। কিছু ঘটনা আমাদের তাজ্জব বানিয়ে দেয়। বর্তমানে নেটদুনিয়ার এই জোরদার চর্চায় প্রায় সকলেই তাদের জ্ঞানভান্ডারকে বিকশিত করতে পারছেন। কিন্তু যখন মানুষ নিজের প্রাকৃতিক সহজাত ক্রিয়া গুলোকে বুঝতে পারেনা তখন সেই বিষয়ে শুধুমাত্র বিস্ময় প্রকাশ ছাড়া আর কিছু করা যায়না। ঠিক সেরকমই একটি ঘটনা ঘটেছে ইউনাইটেড কিংডমে।
জানা গিয়েছে , এক দম্পতি বেশ কয়েক বছর যাবৎ বিবাহিত অবস্থায় একসাথে থাকার পরেও তাদের সন্তান না আসায় তাঁরা ডাক্তারের শরনাপন্ন হন। কিন্তু ডাক্তার ওই দম্পতির সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে , ওই দম্পতি একদমই জানেন না যে সন্তান পৃথিবীতে আনার জন্য দুজনের শারীরিক মিলনের প্রয়োজন। ওই দম্পতির বদ্ধমূল ধারণা ছিলো যে বিয়ের পর স্বামী স্ত্রী একসাথে থাকলেই প্রাকৃতিক নিয়মেই স্ত্রীর গর্ভে সন্তান চলে আসবে।
ওই দম্পতি যে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন তিনি যথেষ্ট হতবাক হয়ে যান এই বিষয়টি জেনে। কিন্তু ওই ডাক্তার জানিয়েছেন যে, ওই দম্পতির মধ্যে কারো কোনোরকম যৌন অক্ষমতা নেই। র্যাচের হ্যায়ারসন নামক এক পেশাদার নার্স এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন সকলের সামনে। কারণ ওই নার্সকেই দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো যে, ওই দম্পতিকে সন্তান পৃথিবীতে আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বোঝানোর জন্য। ওই দম্পতির সাথে কোনোরকম রাখঢাক না করে যৌনতা সম্পর্কে তাঁদের বিস্তারিত বুঝিয়েছেন ওই নার্স র্যাচেল। কিভাবে একটি শিশু পৃথিবীর আলো দেখে সেই বিষয়ে তাদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ওই নার্স। প্রথমে ওই দম্পতি ইতস্তত করলেও তারপর র্যাচেলের কথা গুলো মন দিয়ে শুনেছেন ওই দম্পতি।
কিন্তু এই বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই সকলেই অত্যন্ত অবাক হচ্ছেন এই বিষয়টি সম্পর্কে জেনে। কেননা ওই দম্পতির মধ্যে যেহেতু কোনো যৌন সমস্যা নেই তাই কিভাবে তাঁরা প্রাকৃতিক সহজাত আকর্ষণকে বুঝে উঠতে পারেননি সেই বিষয়ে যথেষ্ট ধন্দে পড়েছেন ডাক্তাররা।