প্রতি রাতে কন্ডোম গুনে টাকার হিসাব দিতে হয় স্বামীকে। দেখুন এক যৌনকর্মীর জীবনের গল্প।

6th October 2020 4:20 pm News
প্রতি রাতে কন্ডোম গুনে টাকার হিসাব দিতে হয় স্বামীকে। দেখুন এক যৌনকর্মীর জীবনের গল্প।


জীবনে চলার পথে এমন মুহূর্তের সম্মুখীন হয়ে মানুষ যা সে স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি। প্রতিটি মানুষ চায় তার জীবন হোক সুখে-শান্তিতে পরিপূর্ণ। কিন্তু আদতে অনেকেরই জীবনে অন্ধকার ঘনিয়ে আসে অপ্রত্যাশিতভাবে। জীবনের চলার পথটি সকলের মসৃণ হয়না। ঠিক এরকমই একটি গল্প হল যৌনকর্মী সীমা'র । তাঁর জীবনের গল্পটি শুনলে মনে হবে সত্যিই সে নরক যন্ত্রণা ভোগ করছে। 

বাংলাদেশের খুলনার মেয়ে ছিল এই সীমা । কিশোরী বয়সে সে চলে গিয়েছিলো সিলেটের হযরত শাহজাহান এর মাজারে। তারপর ২০০২ সালে কমলাপুর স্টেশনে তার সাথে পরিচয় হয় এক যৌনকর্মীর। ওই যৌনকর্মী সীমাকে নিয়ে যায় তার বাড়িতে। সেখানেই তাঁর স্বামীর সাথে সীমাকে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করার চেষ্টা করে ওই যৌনকর্মী। কিন্তু কিছুতেই সীমা বশ্যতা স্বীকার করে না। তারপর এক দালালের কাছে বিক্রি হয়ে যায় অসহায় সীমা। তারপর ভোগ্যপণ্যের মতো বারবার বিক্রি হতে থাকে  এই মেয়েটি, যে সমাজে মাথা উঁচু করে সুখে-শান্তিতে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখতো। কিন্তু তার সমস্ত স্বপ্নগুলি কে গলা টিপে হত্যা করা হয়। ম্লান হয়ে  যায় তাঁর জীবনের বাঁচার ইচ্ছা। কিন্তু তবুও কোনরকমে মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে বেঁচে রয়েছে এই ৩৩ বছরের মেয়েটি। যৌনজীবনে এক খদ্দেরের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সীমার। তার সাথে বিয়ে হয় তাঁর। কিন্তু এই দেহ ব্যবসার করাল অন্ধকার থেকে মুক্তি মেলে না সীমার। তাঁর স্বামীসহ শশুর শাশুড়ি প্রত্যেকেই জোর করে শরীর বিক্রিতে বাধ্য করতো সীমাকে। 

বাপের বাড়িতেও যেতে পারেনি সীমা। একবার সেখানে গিয়েছিল সে, কিন্তু তার স্বামী এমনই বদনাম করে দিয়ে আসে বাপের বাড়িতে যে সেখানে ঠাঁই হয়নি সীমার। প্রতিদিন তীব্র নরকযন্ত্রণা ভোগ করতে থাকে সে। বর্তমানে খোলা আকাশের নীচেই শরীর বিক্রি করতে হয় সীমাকে। এখন কোন হোটেল বা কোন ঘর‌ও জোটেনা তাঁর। বাংলাদেশের বিজয় সরণি, ফার্মগেট, চন্দ্রিমা উদ্যান সহ বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার ধারে, ঝোপে ঝাড়েই চলে তাঁর এই অন্ধকার জীবনের গল্প। 

সারাদিন পর ক্লান্তিতে অবসন্ন হয়ে ঘুমান সীমা। তার একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে রয়েছে। প্রতিদিন স্বামী গুনে গুনে কন্ডোম ধরিয়ে দেয় সীমার হাতে। সারারাত অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করে ভোরবেলা গিয়ে সেই কন্ডোমের হিসাব দিতে হয় নেশাখোর স্বামীকে । প্রতি কন্ডোম পিছু একশো টাকা। হিসাবে গরমিল হলে বা এই কাজ করতে না চাইলে স্বামীর হাতে বেধড়ক মার খেতে হয় সীমাকে। এই ঘটনা চোখে জল এনে দেবে যেকোনো অনুভূতিশীল মানুষের চোখেই। এই মেয়েটির জীবনের লড়াই সত্যিই খুবই কষ্টকর। 

অকর্মণ্য, নেশাখোর স্বামী তাঁর জীবন থেকে কেড়ে নিয়েছে সমস্ত সুখ-শান্তি- বেঁচে থাকার অদম্য ইচ্ছা। শুধুমাত্র সীমা দুচোখ ভরে স্বপ্ন দেখে একদিন হয়তো এই শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পাবে সে।
কিন্তু সেই দিনটা কবে আসবে তার অপেক্ষায় শুধুমাত্র দীর্ঘশ্বাস ফেলে যায় সে ।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।