দেখুন, করোনা পরিস্থিতিতে আমূল বদলেছে দীঘা সমুদ্র সৈকত।

6th October 2020 5:03 pm News
দেখুন, করোনা পরিস্থিতিতে আমূল বদলেছে দীঘা সমুদ্র সৈকত।


সারা পৃথিবী করোনার আঘাতে মূহ্যমান। ভারতেও এর প্রভাব পড়েছে ব্যাপকভাবে। ‌ সামাজিক থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক পরিবেশ সবকিছুই বিধ্বস্ত হয়েছে এই বিশ্ব মহামারীর আঘাতে। পর্যটন ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে। কিন্তু প্রশাসন আস্তে আস্তে স্বাভাবিক করার চেষ্টায় রয়েছে ভয়াবহ পরিস্থিতি গুলিকে।  পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের অন্তর্গত দীঘা হল ভ্রমন প্রিয় বাঙালীদের অন্যতম পছন্দের একটি সমুদ্রতট। বছরের প্রায় প্রতিটি দিন এই ভ্রমণ স্থলটি মানুষের ভিড়ে সরগরম হয়ে থাকে। কিন্তু এই ভয়াবহ করোনার আবহে বদলে গিয়েছে চেনা-পরিচিত চিত্রটা। মানুষের ভীড় আর সেরকম নেই। ভাটা পড়েছে দীঘার ব্যবসায়ীদের অর্থ উপার্জনের পথে। তবুও আনলক প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর প্রশাসনিক বাধা নিষেধ ওঠার পরে আস্তে আস্তে দীঘা মুখো হতে শুরু করেছেন বাঙালিরা। তবে সংখ্যায় নেহাতই অনেক কম। কিন্তু দীর্ঘ ছয় মাস যাবৎ দীঘার সমুদ্র উপকূলের মানুষের পা না পড়ার দরুন , বেশ প্রকৃতির রঙে সেজে উঠেছে মোহময়ী দীঘা। 

দীঘার সমুদ্রতট হয়েছে আরো আকর্ষণীয়। সমুদ্রতটে চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে লাল কাঁকড়ার বিশাল দল, যারা একটু পদধ্বনি পেলে সাথে সাথে নিজেদের গর্তে লুকিয়ে পড়ছে চোখের নিমেষে। এছাড়াও সবুজ সাগরলতা গাছ প্রকৃতির শোভা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে দীঘার সমুদ্র উপকূলে। সেসব পর্যটক এই সময়ে দীঘা দর্শনে গিয়েছেন, তাঁদের চোখে এই দৃশ্যটি ধরা দেওয়ায় , তাঁরা আনন্দের জোয়ারে ভেসে গিয়েছেন। অনেকেই এর আগে বহুবার দীঘা গিয়েছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রকৃতির এই অপরূপ শোভা প্রত্যক্ষ করেন নি অনেকেই। ‌ এবার পূজার সময় অনেকেই দিঘা যাওয়ার তোড়জোড় করছেন। তাই তাঁদের‌ও চোখে ধরা দিতে চলেছে দীঘার এই অপরূপ সৌন্দর্য্য। সমুদ্রসৈকতে ব্যাপক পরিমাণে ফিরে এসেছে সাগরলতা গুল্মলতা গাছ। এই গাছকে সমুদ্র সৈকতের রক্ষাকবচ বলা হয়। তার কারণ এই গাছ সমুদ্র সৈকতের ভাঙ্গন আটকায় এবং বালিয়াড়ি তৈরিতে খুবই সহায়তা করে। বর্তমানে আধুনিকীকরণ এবং মানুষের অত্যাধিক যাতায়াতের কারণে এই সাগরলতা গুল্মলতা হারিয়ে যেতে বসেছিলো। যার ফলে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য হারাতে বসেছিলো। কিন্তু এই করোনা মানুষের জীবনে ভয়াবহ অভিশাপ ডেকে আনলেও প্রকৃতির কাছে এটা আশীর্বাদ হয়েই দেখা দিয়েছে। তাই প্রকৃতি এবার মাত্রাছাড়া দূষণের হাত থেকে বেরিয়ে প্রাণভরে নিঃশ্বাস গ্রহণ করছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।