মিশরে খুলে ফেলা হলো প্রায় আড়াই বছরের মমির কফিন

7th October 2020 4:41 pm News
মিশরে খুলে ফেলা হলো প্রায় আড়াই বছরের মমির কফিন


রহস্যে ঘেরা দেশ মিশর। প্রাচীনকাল থেকেই বহু আশ্চর্যের সমাহারে আবৃত এই মিশর। মিশরের সবথেকে মুখ্য আকর্ষণ হলো পিরামিড এবং মমি। মিশরীয় প্রথা অনুযায়ী প্রাচীনকালে মানুষের মৃত্যুর পর তারা পচনশীল অঙ্গ গুলি দেহ থেকে বার করে নিত এবং তারপর সেই মৃত দেহকে রাসায়নিক মেশানো কাপড়ে জড়িয়ে রাখতে এবং কফিনে ভরে সংরক্ষন করে রেখে দিতো। কারণ মিশরীয়রা বিশ্বাস করত মৃত্যুর পরেও মানুষের একটা জীবন আছে। ‌ মিশরীয় ফ্যারাও তুতেনখামেনের মমির সাথে পাওয়া গিয়েছে বহু দুষ্প্রাপ্য স্বর্ণ উপাদান। ‌ এখনো পর্যন্ত তুতেনখামেনের মমি সব থেকে মূল্যবান মমি বলে বিবেচিত হয়। প্রায়শই শোনা যায় প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার নিদর্শন আবিষ্কারের ঘটনা। ঠিক এ রকমই একটি ঘটনা ঘটেছে মিশরের বুকে। 

মিশরে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা আড়াই হাজার বছরের পুরনো মমি কফিন খুলেছেন মানুষের সামনে। জানা গিয়েছে এই মমিগুলি  এই চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ উদ্ধার করা হয়েছিল। মৃত মানুষকে কিভাবে বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখা হয় সেই প্রাচীন ওষধি জানা ছিল মিশরীয়দের। পিরামিড এর মধ্যে ফ্যারাও দের সমাহিত করা হতো। এবার আড়াই হাজার বছর আগের মমির কফিন খোলা হল সকলের সামনে। নিউজিল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সামনেই এই কফিনগুলো উন্মোচন করা হয়। নিউজিল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত এই মমির কফিন খোলার ভিডিও শেয়ার করেছেন এবং তিনি বলেছেন এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থেকে তিনি নিজে অত্যন্ত গর্বিত বোধ করছেন ‌।  

জানা গিয়েছে এখনো পর্যন্ত প্রায় ৬০ টি মমি উদ্ধার করা গিয়েছে। উন্মোচন করা হয়েছে বেশিরভাগ মমির কফিনগুলোই। এখনো পর্যন্ত মিশরের গর্ভে বহু মমি সমাহিত হয়ে রয়েছে আবিষ্কারের অপেক্ষায়।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।