বর্তমানে সমাজে এমন ঘটনা ঘটছে যা রীতিমতো নারী সুরক্ষা কে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। যে দেশে নারী মাতৃ রূপে পূজিতা হন। সেখানে মেয়েদের নিরন্তর এক দুর্বিষহ সময়ের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত করতে হচ্ছে। প্রায়শই খবরের কাগজ খুললেই চোখে আসে প্রতিদিন কোনো না কোনো নারী নির্যাতনের ঘটনা। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের এক তরুণীকে গণধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়েছে সারাদেশ। তারপরে উত্তরপ্রদেশের বলরামপুরেও ওই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও পরপর কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে গিয়েছে। সারা দেশের মধ্যে পরপর ঘট এই নারী নির্যাতনের ঘটনা গুলি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত দিকে আমরা কিছুটা হলেও এগিয়ে যেতে পেরেছি, কিন্তু সমাজ এখনো অন্ধকারে মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে আমাদের। আবার একটি পৈশাচিক ঘটনা ঘটেছে কুলতলির নোয়াপাড়া গ্রামে। এক নাবালিকাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বেরিয়েছিল ভোর বেলায়। তখনই দুর্বৃত্ত শামসুল ঘরামি মাছ ধরতে বেরিয়েছিল। ভোররাতে ওই নাবালিকাকে দেখতে পেয়ে শামসুল নাবালিকার কাছে আছে, তারপর তাকে মুখ বেঁধে নিয়ে জোরপূর্বক নিয়ে যায় নদীর ধারে। সেখানে ওই নাবালিকার উপরে পাশবিক অত্যাচার চালায় শামসুল। কুকাজ সম্পন্ন করে ওই অসহায় নাবালিকাকে নদীর পাড়ে ফেলে চম্পট দেয় শামসুল। নাবালিকা কান্নাকাটি করলে তাকে প্রাণে মারার হুমকি দেয় অভিযুক্ত শামসুল।
অচৈতন্য নাবালিকা সেখানেই পড়ে থাকে। সকালে কি নাবালিকাকে ঘটনাস্থল থেকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে আপাতত নাবালিকার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। নাবালিকার পরিবার অভিযুক্ত শামসুল ঘরামির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত শামসুল কে গ্রেপ্তার করেছে কুলতলি থানার পুলিশ।
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই অভিযুক্তের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে এলাকাবাসী।