আবার পৈশাচিক ধর্ষণের ঘটনা রাজ্যে। নাবালিকাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে করা হলো ধর্ষণ।

10th October 2020 4:28 pm News
আবার পৈশাচিক ধর্ষণের ঘটনা রাজ্যে। নাবালিকাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে করা হলো ধর্ষণ।


বর্তমানে সমাজে এমন ঘটনা ঘটছে যা রীতিমতো নারী সুরক্ষা কে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। ‌ যে দেশে নারী মাতৃ রূপে পূজিতা হন। সেখানে মেয়েদের নিরন্তর এক দুর্বিষহ সময়ের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত করতে হচ্ছে। প্রায়শ‌ই খবরের কাগজ খুললেই চোখে আসে প্রতিদিন কোনো না কোনো নারী নির্যাতনের ঘটনা। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের এক তরুণীকে গণধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়েছে সারাদেশ। তারপরে উত্তরপ্রদেশের  বলরামপুরেও ওই একই ঘটনার  পুনরাবৃত্তি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও পরপর কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে গিয়েছে। সারা দেশের মধ্যে পরপর ঘট এই নারী নির্যাতনের ঘটনা গুলি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত দিকে আমরা কিছুটা হলেও এগিয়ে যেতে পেরেছি, কিন্তু সমাজ এখনো অন্ধকারে মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে আমাদের। আবার একটি পৈশাচিক ঘটনা ঘটেছে কুলতলির নোয়াপাড়া গ্রামে। এক নাবালিকাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে। 

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বেরিয়েছিল ভোর বেলায়। তখনই দুর্বৃত্ত শামসুল ঘরামি মাছ ধরতে বেরিয়েছিল। ভোররাতে ওই নাবালিকাকে দেখতে পেয়ে শামসুল নাবালিকার কাছে আছে, তারপর তাকে মুখ বেঁধে নিয়ে জোরপূর্বক নিয়ে যায় নদীর ধারে। সেখানে ওই নাবালিকার উপরে পাশবিক অত্যাচার চালায় শামসুল।  কুকাজ সম্পন্ন করে ওই অসহায় নাবালিকাকে নদীর পাড়ে ফেলে চম্পট দেয় শামসুল। নাবালিকা কান্নাকাটি করলে তাকে প্রাণে মারার হুমকি দেয় অভিযুক্ত শামসুল। 

অচৈতন্য নাবালিকা সেখানেই পড়ে থাকে। সকালে কি নাবালিকাকে ঘটনাস্থল থেকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে আপাতত নাবালিকার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। নাবালিকার পরিবার অভিযুক্ত শামসুল ঘরামির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। 
অভিযুক্ত শামসুল কে গ্রেপ্তার করেছে কুলতলি থানার পুলিশ। 
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই অভিযুক্তের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে এলাকাবাসী।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।