পণের দাবিতে নৃশংস অত্যাচার। স্ত্রীর গোপনাঙ্গ পুড়িয়ে দিলেন গুণধর স্বামী।

12th October 2020 4:01 pm News
পণের দাবিতে নৃশংস অত্যাচার। স্ত্রীর গোপনাঙ্গ পুড়িয়ে দিলেন গুণধর স্বামী।


সমাজ হয়তো উন্নতির দিকে ধাবিত  à¦¹à¦šà§à¦›à§‡ ঠিকই। কিন্তু বর্তমানে সমাজে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যাচ্ছে যাতে মনুষ্যত্ব অন্ধকারে মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে। বিশেষ করে সমাজে পরপর ঘটে চলা নারী নির্যাতনের ঘটনা সমাজকে এক বিরাট প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। ‌ হাথরাস থেকে শুরু করে বলরামপুর সহ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ক্রমাগত ঘটে চলা নারী নির্যাতনের ঘটনা বর্তমান সমাজে নারী সুরক্ষায় বিষয়টির উপর এক বিরাট প্রশ্ন চিহ্ন এঁকে দিয়েছে। ‌

আরেকটি পৈশাচিক কাণ্ডে শোরগোল পড়ে গিয়েছে সারা দেশ জুড়ে। ‌ বেঙ্গালুরুর মত উন্নত একটি জায়গার ঘটনা সারা দেশকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। এক ব্যক্তি প্রায়শই তার স্ত্রীকে পণের দাবীতে অত্যাচার করতেন। স্বামীর দাবিমতো বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনতে অসমর্থ হওয়ায় স্ত্রীর গোপনাঙ্গে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তির নাম হল সুরজ সিংহ। একটি পানের দোকান চালান তিনি। এই ঘটনাটি ঘটেছে রামমূর্তি নগরে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সুরজ এবং তার মা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। আক্রান্ত ২২ বছর বয়সী সুরজের স্ত্রী আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পুলিশ হন্যে হয়ে সুরজ এবং তার মাকে খুঁজে চলেছে। 
জানা গিয়েছে এক বছর আগেই অভিযুক্ত গুণধর সুরজের সাথে তার স্ত্রীর বিয়ে হয়। ‌ বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ি থেকে নানান যৌতুক চেয়ে তিনি ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন তার স্ত্রীর উপরে। ‌ নিয়মিত পণের দাবীতে চলে মারধর। গত à§­ ই অক্টোবর সুরজ তার স্ত্রীকে বাপের বাড়ি থেকে আরো টাকা নিয়ে আসতে বলায় তার স্ত্রী তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং সুরজের মুখের উপর স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে , এতদিন ধরে সুরজ তার বাবার থেকে যা টাকা পয়সা নিয়েছে সবকিছু সুরজ ফেরত দিয়ে দিক। তখনই রাগে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয় সুরজ। ‌ কেরোসিন তেল ঢেলে স্ত্রীর গোপনাঙ্গে আগুন ধরিয়ে দেয় সে। অসহায় স্ত্রীর আর্ত চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। ‌ প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, যখন এই পৈশাচিক ঘটনা ঘটাচ্ছিল সুরজ, তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সুরজের মা। কিন্তু ওই মহিলা তার ছেলেকে একবারও আটকাতে যাননি। এই ঘটনার পর থেকেই নিরুদ্দেশ সুরজ এবং তার মা। তাদের খোঁজে পুলিশ চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে। 
অতি নির্মম এবং নৃশংস এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।