চিৎপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। দমকলের ১৮ টি ইঞ্জিনের রূদ্ধশ্বাস লড়াই।

12th October 2020 4:31 pm News
চিৎপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। দমকলের ১৮ টি ইঞ্জিনের রূদ্ধশ্বাস লড়াই।


সারা বাংলা তথা ভারত জুড়ে ভয়াবহ তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনা ভাইরাস। তার উপরে মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসে পড়ছে নানান প্রাকৃতিক বিপর্যয় গুলি। ‌ তারপর নানা রকম মনুষ্য সৃষ্ট বিপর্যয় গুলি আরো প্রকট হয়ে বিপর্যস্ত করে দিচ্ছে মানুষের জীবন। এমনিতেই করোনা মহামারীর এই ভয়াবহ আবহের মধ্যে বহু মানুষের রুজি-রুটি বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। তার উপরে বিভিন্ন ঘটনার ফলে অনেকের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ লকডাউনের পর আস্তে আস্তে সচল হচ্ছিল বিভিন্ন কল-কারখানা গুলি। এরই মধ্যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে গিয়েছে চিৎপুরের এক প্লাস্টিক কারখানায়। আজ সোমবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ ওই প্লাস্টিক কারখানায় আগুন ধরে যায়। প্রথমেই গ্রামবাসীরা দেখতে পান কারখানা থেকে প্রবল কালো ধোঁয়া এবং আগুন বের হতে। তারপরেই সমগ্র কারখানাকে গ্রাস করে নেয় আগুনের লেলিহান শিখা। সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে ফায়ার ব্রিগেডের মোট ১৮ টি ইঞ্জিন। অতি তৎপরতার সাথে কাজ করছে ফায়ার ব্রিগেড। কিন্তু এখনো পর্যন্ত আগুনকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসা সম্ভব হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ‌

দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকায় মধ্যে ওই প্লাস্টিক কারখানা টি অবস্থিত। ‌ যার দরুন দমকলের ইঞ্জিন সেখানে পৌছতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। ‌ এবং কারখানার পরিকাঠামোর সমস্যার দরুন আগুন নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে দমকল বাহিনীকে। ‌
এই তীব্র ঘটনায় সমগ্র এলাকায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের কালো ছায়া ঘনিয়ে এসেছে। দমকলের ১৮ টি ইঞ্জিন প্রাণপনে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় রত। ঘিঞ্জি এলাকায় ওই কারখানা অবস্থিত হওয়ার দরুন, আশেপাশে আগুন ছড়িয়ে যাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাই অতি তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে চলেছে দমকল বাহিনী। ‌
এর পাশাপাশি উদ্ধারকার্যে হাত লাগিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারাও। উত্তর কলকাতার চিৎপুরের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সমগ্র এলাকাবাসীকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। ওই কারখানার আশেপাশের বাড়িগুলি থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরানো হয়েছে। এখনো পর্যন্ত গোটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বলে জানা গিয়েছে। যদি অতিসত্বর এই আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে আশেপাশের বাড়ি গুলি ও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আগুনের লেলিহান শিখার কবলে পড়ে। 
ঠিক কি কারণে এই কারখানায় এমন বিধ্বংসী আগুন লাগল তা খুঁজে বার করতে তৎপর হয়েছে পুলিশ। ‌





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।