মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায় বহাল সুপ্রিম কোর্টেও। ভেঙে ফেলা হবে মিঠুন সহ বেশ কয়েকজনের রিসর্ট।

15th October 2020 11:28 am News
মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায় বহাল সুপ্রিম কোর্টেও। ভেঙে ফেলা হবে মিঠুন সহ বেশ কয়েকজনের রিসর্ট।



উটিতে মুদুমালাই অভয় অরণ্যে তৈরি হ‌ওয়া সমস্ত রিসর্ট এবং অন্যান্য বিল্ডিং ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই রিসর্ট গুলির মধ্যে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর বেশ কয়েকটি রিসর্ট‌ও রয়েছে। মাদ্রাজ হাইকোর্ট ২০১১ সালে রায় দান করেছিলো যে ওই সমস্ত রিসর্ট এবং অন্যান্য হোটেলগুলি এলিফ্যান্ট করিডোরের উপরে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে। তাই অবিলম্বে সেগুলিকে ভেঙে ফেলতে হবে। মাদ্রাজ হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিমকোর্টে আপিল করেছিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী সহ ওই এলাকার সমস্ত রিসর্ট এবং হোটেল মালিকরা। 
সুপ্রিম কোর্টেও বহাল র‌ইলো মাদ্রাজ হাইকোর্টের এই নির্দেশ। চলতি বছরেই জানুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে, এই নির্মাণ গুলি এলিফ্যান্ট করিডোরের উপরে গড়ে ওঠার কারণে হাতিদের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। এমনিতেই হাতিরা বিশাল বপু হলেও তারা খুবই নিরীহ এবং অসহায় প্রাণী। 

গত বছরেই সুপ্রিম কোর্ট এই মুদুমালাই অভয়ারণ্যে তৈরি হ‌ওয়া রিসর্ট গুলিকে সিল করার নির্দেশ দিয়েছিলো। মদুমালাই টাইগার বাফার জোনে তৈরি রিসর্ট এবং হোকেলগুলির সমস্ত ডকুমেন্টস খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছিলো সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো যে নির্মাণে যদি গলদ থাকে তাহলে অবিলম্বে সিল‌ করে দেওয়া হবে রিসর্ট এবং ভেঙে ফেলা হবে। ১৯৯৬ সালে এলিফ্যান্ট করিডোরে এই নির্মাণকার্য হ‌ওয়ার জন্য মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিলো। এবার সুপ্রিম কোর্ট‌ও মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে দিলো। 

তবে মিঠুন‌ সহ অন্যান্য রিসর্ট মালিকরা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন যে, ওখানে কোনো অবৈধ নির্মাণ হয়নি। বরং ওই অঞ্চলের আদিবাসীদের জীবিকা নির্বাহ করায় অত্যন্ত সাহায্য করছে রিসর্ট এবং হোটেল গুলি। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই রায় বহাল রেখেছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।