প্রেমিকার গলায় ছুরির কোপ মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করলো প্রেমিক।

16th October 2020 4:06 pm News
প্রেমিকার গলায় ছুরির কোপ মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করলো প্রেমিক।


সারা ভারতে পরপর নারী নিগ্রহের ঘটনায় যথেষ্ট আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে ঘটে যাওয়া গণধর্ষণ কাণ্ড সারা ভারতকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তারপর থেকেই আরো বেশ কয়েকটি নারী নির্যাতনের ঘটনা দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। এবার আরেকটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলে। এক তরুণীকে প্রকাশ্যে গলায় ছুরির কোপ মেরে খুন করার চেষ্টা করে নিজে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেছে প্রেমিক। ‌

এই ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা বেলা। জানা গিয়েছে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় তরুণী সুচিত্রা বার এবং ওই অভিযুক্ত যুবক অসীম ঝুলকিকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। 
তাদের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে বেশ কয়েক বছর ধরেই ১৭ বছর বয়সী সুচিত্রার সাথে প্রেম ছিলো ২৫ বছর বয়সী অসীমের। কিন্তু হঠাৎই তাদের এই দীর্ঘদিনের প্রেমের পথে নানান বাদা বিপত্তি আসতে শুরু করে। যার জন্য এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যেতে চায় সুচিত্রা। প্রেমের এই জটিলতার আবহে অসীম যে হঠাৎ করে এমন ভয়াবহ কান্ড ঘটাতে পারে তা কারো ধারণার মধ্যে ছিল না। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাবেলা সুচিত্রা যখন টিউশন থেকে বাড়ি ফিরছিল, ঠিক তখন রাস্তায় সুচিত্রাকে গালিগালাজ করে অসীম এবং সুচিত্রা ফোন ছিনিয়ে নিয়ে নিজের কাছে রেখে দেয়। বাড়ি ফিরে সুচিত্রা অসীমকে ফোন করে। তখন অসীম একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সুচিত্রাকে দেখা করতে যেতে বলে এবং সুচিত্রা দেখা করতে রাজি হয়। সুচিত্রা সাথে তার মা এবং দিদি গিয়েছিল। নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে অসীমের সঙ্গে দেখা করে সুচিত্রা, কথা হতে হতে দুজনের মধ্যে অশান্তি চরমে পৌঁছায়, কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ করে ধারালো অস্ত্র বার করে সুচিত্রার হাতে এবং গলায় পরপর কোপ মারে অসীম। রক্তাক্ত সুচিত্রা লুটিয়ে পড়ে মাটিতে। সুচিত্রার মা এবং দিদি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও সুচিত্রাকে ওই আক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে তারা ব্যর্থ হন। তারপরও অসীম নিজের গলায় ওই ধারালো অস্ত্র চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। ‌

স্থানীয় গ্রামবাসীরা আর্তচিৎকারে ছুটে আসে। দুজনকেই অত্যন্ত আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুচিত্রার অবস্থা অত্যন্ত সঙ্গীন। অসীমের অবস্থাও গুরুতর। পুলিশ খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করেছে। 

এই ঘটনা আবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে প্রমাণ করে দিলো যে আমরা সভ্য হলেও এখনো উন্নত মানসিকতার আলোক আমাদের স্পর্শ করতে পারছে না।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।