মানব সমাজ বর্তমানে উন্নতির শিখরে ধাবিত হচ্ছে। মানব সভ্যতা দিন দিন আরো বিকশিত হয়ে চলেছে। আমাদের চারপাশে এখন প্রযুক্তির ছড়াছড়ি। এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের জীবনযাত্রা হয়েছে আরও সহজ ,সরল। কিন্তু অনেক সময় আমাদের ভুলবশত এই প্রযুক্তির পরিষেবা উপভোগ করতে গিয়ে নিজেদের শরীরকে আমরা ঠেলে দিই চরম বিপদের দিকে। যেমন বর্তমানে প্রায় বেশিরভাগ মানুষের বাড়িতে রেফ্রিজারেটর রয়েছে। অনেকেই ফ্রিজে বেশ কিছু খাবার রেখে কয়েকদিন ধরে খান। কিন্তু বেশ কিছু খাবার এমষই রয়েছে যা ফ্রিজে বেশীদিন ধরে রেখে খেলে তা শরীরের পক্ষে হতে পারে বেশ সমস্যাজনক। একবার চটপট দেখে নিন সেই খাবারগুলি সম্বন্ধে-
১) চা/কফি- অনেকই ফ্রিজে এবং কফি রেখে দেন মাঝেমধ্যে। কিন্তু ফ্রিজে চা এবং কফি রাখলে তার গুনাগুন নষ্ট হয়ে যায়।
২) কলা- অনেকেই বিভিন্ন ফলমূল ফ্রিজের মধ্যে রেখে দেন। এর মধ্যে কলা কখনোই ফ্রিজে রাখা উচিৎ নয়। কারণ কলার সমস্ত পুষ্টিগুণ ফ্রিজের মধ্যে আস্তে আস্তে নষ্ট হতে থাকে।
৩) পিঁয়াজ- পিঁয়াজ সাধারণভাবে খোলা জায়গায় রেখে দেওয়া উচিত। ফ্রিজের মধ্যে পিয়াজ লাগলে তার সমস্ত পুষ্টি গুণ নষ্ট হয়ে যায়।
৪) রুটি- যেকোনো ধরণের রুটি যদি ফ্রিজে রেখে দেওয়া হয় তাহলে সেগুলো খুবই শক্ত হয়ে যায়। তাই রুটি বা পাউরুটি কখনোই ফ্রিজে রেখে খাবেন না।
৫) ডিম- গবেষকরা বলেছেন ডিম ফ্রিজে রেখে খেলে এর পুষ্টিগুণ একেবারেই হ্রাস পায়।
৬) দুধ- দুধ ফ্রিজে রেখে খেলে অনেকসময় দুধের আসল পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।
৭) আলু- ফ্রিজে আলু রেখে খাওয়া হলে সেই আলুর পুষ্টিগুণ একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়।
৮) মধু- অনেকেই মধু কিনে আনার পর তা ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু মধুকে সবসময় কাঁচের জারে ভরে খোলা তাপমাত্রায় রেখে দিতে হয়।
৯) টমেটো- ফ্রিজে টমেটো রেখে দিলে তার স্বাদ এবং গুন দুটোই নষ্ট হয়ে যায়। টমেটো ফ্রিজ থেকে বের করে নিয়ে এক ঘন্টা পর ব্যবহার করা উচিত।
১০) তরমুজ- আনারস ফ্রিজে রেখে দেওয়ার ফলে তার মধ্যে যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে তা নষ্ট হয়ে যায়।