বর্তমানে ভারতে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনায় প্রশ্নচিহ্ন উঠতে শুরু করেছে ভারতে নারীসুরক্ষা ব্যবস্থার উপরে। হাথরাস থেকে শুরু করে মহারাষ্ট্র , বিহার, রাজস্থান প্রভৃতি একের পর এক জায়গা থেকে নিরন্তর আসছে নারী নির্যাতনের খবর। হাথরাসে পৈশাচিক ধর্ষণের পর নির্যাতিতা তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় সারা ভারতজুড়ে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ সরকার চাপের মুখে তিন সদস্য বিশিষ্ট সিট গঠন করে তদন্ত চালালেও, তাদের তদন্তে কোনমতেই সন্তুষ্ট নয় দেশবাসী। হাথরাসের পর বলরামপুরেও এ রকমই এক পৈশাচিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে গুজরাটের বনসকাঁটা জেলায়।
গত শনিবার এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর মাথা কেটে দিয়েছে তারই এক আত্মীয়। জানা গিয়েছে গত শুক্রবার থেকে ওই কিশোরীকে খুঁজে পাচ্ছিলো না তার পরিবারের লোকেরা। তবে অনেকেই নাকি রেখেছিলেন ওই কিশোরী তারই এক আত্মীয়ের বাইকে করে কোথাও যাচ্ছিল । তারপর ২৪ ঘন্টা পর গত শনিবার সকালে, কিশোরীর পাশের গ্রামে একটি নির্জন এলাকায় তার মাথা কাটা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
খুনের অভিযোগে কিশোরীর ওই আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
সংবাদমাধ্যমকে পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর ওই আত্মীয় মোটরবাইকে চাপিয়ে তাকে ওই নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়, তারপর কুকীর্তি সম্পন্ন করে প্রমাণ লোপাট করার জন্য কিশোরীকে খুন করে তার মাথা কেটে নেয়। অত্যন্ত পৈশাচিক এবং জঘন্য এই ঘটনায় সারা ভারতবা স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রতিবাদের ঝড় বয়ে গিয়েছে। সকলেই কিশোরীর আত্মীয়ের চরম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন।