ধর্ষণ করে মাথা কেটে নেওয়া হলো কিশোরীর। গ্রেপ্তার অসহায় কিশোরীর আত্মীয়।

19th October 2020 3:41 pm News
ধর্ষণ করে মাথা কেটে নেওয়া হলো কিশোরীর। গ্রেপ্তার অসহায় কিশোরীর আত্মীয়।


বর্তমানে ভারতে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনায় প্রশ্নচিহ্ন উঠতে শুরু করেছে ভারতে নারীসুরক্ষা ব্যবস্থার উপরে। হাথরাস থেকে শুরু করে মহারাষ্ট্র , বিহার, রাজস্থান প্রভৃতি একের পর এক জায়গা থেকে নিরন্তর আসছে নারী নির্যাতনের খবর। হাথরাসে পৈশাচিক ধর্ষণের পর নির্যাতিতা তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় সারা ভারতজুড়ে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ সরকার চাপের মুখে তিন সদস্য বিশিষ্ট সিট গঠন করে তদন্ত চালালেও, তাদের তদন্তে কোনমতেই সন্তুষ্ট নয় দেশবাসী। হাথরাসের পর বলরামপুরেও এ রকমই এক পৈশাচিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে গুজরাটের বনসকাঁটা জেলায়। 
গত শনিবার এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর মাথা কেটে দিয়েছে তারই এক আত্মীয়। জানা গিয়েছে গত শুক্রবার থেকে ওই কিশোরীকে খুঁজে পাচ্ছিলো না তার পরিবারের লোকেরা। তবে অনেকেই নাকি রেখেছিলেন ওই কিশোরী তারই এক আত্মীয়ের বাইকে করে কোথাও যাচ্ছিল । তারপর ২৪ ঘন্টা পর গত শনিবার সকালে, কিশোরীর পাশের গ্রামে একটি নির্জন এলাকায় তার মাথা কাটা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

খুনের অভিযোগে কিশোরীর ওই আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। 

সংবাদমাধ্যমকে পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর ওই আত্মীয় মোটরবাইকে চাপিয়ে তাকে ওই নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়, তারপর কুকীর্তি সম্পন্ন করে প্রমাণ লোপাট করার জন্য কিশোরীকে খুন করে তার মাথা কেটে নেয়। অত্যন্ত পৈশাচিক এবং জঘন্য এই ঘটনায় সারা ভারতবা স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রতিবাদের ঝড় বয়ে গিয়েছে। সকলেই কিশোরীর আত্মীয়ের চরম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।