আতঙ্কের ভয়াবহ জাল বিস্তার করেছে করোনা ভাইরাস। প্রতিটা মুহূর্ত মানুষকে দিন কাটাতে হচ্ছে মৃত্যুভয় কে সঙ্গী করে। বেঁচে থাকাটাই বর্তমানে মানুষের কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও অপরাধপ্রবণতা কিছুতেই কমছে না মানুষের মধ্য থেকে। রোজই খবরের কাগজের পাতা খুললেই চোখে পড়ে প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজে হয়ে চলেছে খুন, ধর্ষণ ,ডাকাতির মতো ঘৃণ্য অপরাধের ঘটনা। ঠিক এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে বেহালার বকুলতলায়। কলকাতার বেহালায় এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু কে কেন্দ্র করে অত্যন্ত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
জানা গিয়েছে ওই গৃহবধূর নাম চৈতালী মুখার্জী। ৫৩ বছর বয়সী এই ভদ্রমহিলার স্বামীর নাম অরুন মুখার্জী। ওই দম্পতি নিঃসন্তান ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। চৈতালী মুখার্জীর বাড়িতে এক যুবক তার স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। চৈতালীর পরিবার জানিয়েছে, ওই যুবকের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল মৃত গৃহবধূর। সেই নিয়ে দুটি পরিবারের মধ্যে প্রবল অশান্তি সৃষ্টি হয়েছিল। এই মর্মে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল পর্ণশ্রী থানায়। এই অবৈধ সম্পর্কের জন্য প্রায়শই ওই গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে অশান্তি হতো।
গত সোমবার দিন ওই গৃহবধূর স্বামী তার বাপের বাড়িতে ফোন করে জানান যে চৈতালী মুখার্জী অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, কিন্তু চৈতালী দেবীর বাপের বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন শ্বশুরবাড়িতে মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। তখনই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চৈতালী দেবীর বাড়ির লোকজন। সাথে সাথে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে চৈতালী দেবীর বাপের বাড়ির লোকজন। তাঁরা অভিযোগ করেছেন যে চৈতালী দেবীর স্বামী শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করে দিয়েছেন।
পুলিশ চৈতালী দেবীর স্বামী অরুণ মুখার্জী কে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনায় অত্যন্ত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বেহালা জুড়ে।