গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ। গ্রেফতার স্বামী। চাঞ্চল্য বেহালায়

21st October 2020 10:35 am News
গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ। গ্রেফতার স্বামী। চাঞ্চল্য বেহালায়


 আতঙ্কের ভয়াবহ জাল বিস্তার করেছে করোনা ভাইরাস। ‌ প্রতিটা মুহূর্ত  মানুষকে দিন কাটাতে হচ্ছে মৃত্যুভয় কে সঙ্গী করে। বেঁচে থাকাটাই বর্তমানে মানুষের কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও অপরাধপ্রবণতা কিছুতেই কমছে না মানুষের মধ্য থেকে। রোজ‌ই খবরের কাগজের পাতা খুললেই চোখে পড়ে প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজে হয়ে চলেছে খুন, ধর্ষণ ,ডাকাতির মতো ঘৃণ্য অপরাধের ঘটনা। ঠিক এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে বেহালার বকুলতলায়। কলকাতার বেহালায় এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু কে কেন্দ্র করে অত্যন্ত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ‌

জানা গিয়েছে ওই গৃহবধূর নাম চৈতালী মুখার্জী।  ৫৩ বছর বয়সী এই ভদ্রমহিলার স্বামীর নাম অরুন মুখার্জী। ওই দম্পতি নিঃসন্তান ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। চৈতালী মুখার্জীর বাড়িতে  এক যুবক তার স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। চৈতালীর পরিবার জানিয়েছে, ওই যুবকের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল মৃত গৃহবধূর। সেই নিয়ে দুটি পরিবারের মধ্যে প্রবল অশান্তি সৃষ্টি হয়েছিল। এই মর্মে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল পর্ণশ্রী থানায়। এই অবৈধ সম্পর্কের জন্য প্রায়শ‌ই ওই গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে অশান্তি হতো। ‌

গত সোমবার দিন ওই গৃহবধূর স্বামী তার বাপের বাড়িতে ফোন করে জানান যে চৈতালী মুখার্জী অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, কিন্তু চৈতালী দেবীর বাপের বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন শ্বশুরবাড়িতে মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। তখনই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চৈতালী দেবীর বাড়ির লোকজন। সাথে সাথে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে চৈতালী দেবীর বাপের বাড়ির লোকজন। তাঁরা অভিযোগ করেছেন যে চৈতালী দেবীর স্বামী শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করে দিয়েছেন। 
পুলিশ চৈতালী দেবীর স্বামী অরুণ মুখার্জী কে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনায় অত্যন্ত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বেহালা জুড়ে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।