হাতে সময় আছে মাত্র ৩০ বছর। তারপরেই জলের অতলে তলিয়ে যেতে পারে কলকাতা সহ অনেক জায়গা।

29th October 2020 11:38 am News
হাতে সময় আছে মাত্র ৩০ বছর। তারপরেই জলের অতলে তলিয়ে যেতে পারে কলকাতা সহ অনেক জায়গা।


বর্তমানে বিশ্ব উষ্ণায়ন সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি অভিশাপস্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে সবথেকে বেশি ক্ষতি লক্ষিত হচ্ছে অ্যান্টার্কটিকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বরফাবৃত এলাকায়। বিশেষ করে অ্যান্টার্কটিকা এবং মেরু প্রদেশের বরফ গলে গিয়ে সমুদ্রের জল স্তর বাড়িয়ে দিচ্ছে। যার ফলে খুব অল্প দিনের মধ্যেই জলের অতলে তলিয়ে যেতে বসেছে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা। 

নাসার উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে ভয়াবহ দৃশ্য। আন্টার্কটিকা সহ মেরু প্রদেশের বরফ গলে গিয়ে ডুবিয়ে দিতে পারে ভারতের কলকাতা, মুম্বাই এবং গুজরাট কে। এবং এই পরিস্থিতির উদ্রেক হতে পারে আর ৩০ বছর পরেই । চিনের বহু শহর‌ও জলের গর্ভে চলে যেতে  পারে। অনান্য মহাদেশ গুলিও জলের গভীরে চলে যেতে পারে। ‌২০৫০ সালের মধ্যে সমুদ্রের গর্ভে তলিয়ে যেতে পারে কলকাতা, মুম্বাই এবং গুজরাট। এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্ব উষ্ণায়নের ক্ষতিকর প্রভাবের ফলে দক্ষিণ মেরুর বরফ অতিদ্রুত গলতে শুরু করেছে। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে ২০১৪ সালের মধ্যে সমুদ্রের জলতল প্রায় ১২ মিলিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার এই জলস্তর যদি বিপদসীমা অতিক্রম করে যায় তাহলে রক্ষা পাবেনা পৃথিবীর বহু জায়গা। 

বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমেরিকা, চিন, চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ,ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, ইংল্যান্ড সহ পৃথিবীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলি জলের গভীরে তলিয়ে যেতে পারে। এমনিতেই বছরে প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার জায়গা সমুদ্রের তলায় চলে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার। পরিবেশবিদরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে অ্যান্টার্কটিকা এবং গ্রীনল্যান্ডের বরফ এর রাশি রাশি স্তুপ আরো গলতে থাকবে। সমুদ্র জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে যার ফলে সমুদ্রের প্রাণীরা মারা যাবে, দেখা দেবে খাদ্য সংকট। বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে যদি তিন ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়ে , তাহলে জলস্তর অন্তত আধ মিটার বৃদ্ধি পেতে বাধ্য। যার ফলে অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীর বহু জায়গা জলের তলায় তলিয়ে যাবে এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাহলে পৃথিবীর ভবিষ্যতে  কি লেখা রয়েছে? অচিরেই কি ধ্বংসের মুখোমুখি হচ্ছি আমরা?





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।