১০০ বার ক্রাইম থ্রিলার দেখে বাবাকে খুন করে লাশ লোপাটের চেষ্টা করল ছেলে।

30th October 2020 12:33 pm News
১০০ বার ক্রাইম থ্রিলার দেখে বাবাকে খুন করে লাশ লোপাটের চেষ্টা করল ছেলে।


অনেক সময় সমাজে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যায় , যা রীতিমতো আমাদেরকে স্তম্ভিত করে দেয়। কিছু অপরাধমূলক ঘটনা দেখে রীতিমতো বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাই আমরা। ঠিক এমনই একটি ঘৃণ্য ঘটনা ঘটেছে মথুরায়। 

৪২ বছর বয়সী মনোজ মিশ্র অন্যান্য বাবাদের মতোই নিজের দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠরত ছেলেকে বকা ঝকা করেছিলেন। কিন্তু সেটা যে তার প্রাণ সংশয় এর কারণ হয়ে দাঁড়াবে সে কথা একবারও কল্পণা করতে পারেননি তিনি। নিজের ছেলে নৃশংস ভাবে খুন করলো মনোজ বাবুকে। কিন্তু অবাক হওয়ার বিষয় এটাই দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠরত ছেলে বাবাকে খুন করার আগে রীতিমতো ইউটিউবে একটি ক্রাইম থ্রিলার দেখেছিল। পুলিশ জানিয়েছে, অন্ততঃ একশো বারের‌ও বেশি সময় ধরে ওই ক্রাইম থ্রিলার দেখেছে পিতৃহন্তা ছেলেটি । তার কারণ সে খুন করার পর কিভাবে দেহ লোপাট করবে সে সমস্ত তথ্য প্রমাণ জোগাড় করার উদ্দেশ্যেই এই ক্রাইম থ্রিলার সে দেখেছিল। জানা গিয়েছে প্রথমে লোহার রড দিয়ে সে তার বাবার মাথায় সজোরে আঘাত করে। ‌ তারপর জ্ঞানহীন বাবার গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে নিজের বাবাকে। তারপর বাবার দেহ লোপাট করার চেষ্টা করে ওই গুণধর ছেলে। আরও অবাক হওয়ার বিষয় এটাই এই কাজে ওই ছেলেকে সাহায্য করেছে তার মা। পুলিশ জানিয়েছে বাবার মৃতদেহ জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল ছেলেটি। ইসকনে কর্মরত ছিলেন মনোজ বাবু। 

মনোজ বাবু নিরুদ্দেশ থাকায় ইসকন কর্তৃপক্ষ ক্রমাগত চাপ দিতে থাকে মনোজ বাবুর পরিবারকে, যার ফলে ইসকন এর কাছে নতি স্বীকার করে থানায় নিরুদ্দেশ এর অভিযোগ দায়ের করে মনোজ বাবুর স্ত্রী। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় না, জঙ্গলে আধপোড়া দেহ দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। তারপর মনসাপুর সহকর্মীরা তার দেহটি শনাক্ত করতে পারেন। তারপর পুলিশি জেরার মুখে ভেঙে পড়ে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র স্বীকার করে যে সে'ই খুন করেছে বাবাকে। 

শুধুমাত্র বকাঝকা করার জন্য একজন মানুষের চেয়ে এই পরিণতি হতে পারে তা দেখে সারা দেশবাসীর তাজ্জব হয়ে গিয়েছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।