চীনারা যাতে তাইওয়ান কে কোনরকম ক্ষতি করতে না পারে তার জন্য কিনমেন দ্বীপের উপকূলে ট্যাংক ট্র্যাপ দিয়ে সুরক্ষা দেওয়া রয়েছে। এর আগেও বহুবার চিন তাইওয়ান কে আক্রমণ করেছে। চীনারা মনে করে, তাইওয়ানের ওপর তাদের অধিকার রয়েছে। এইজন্য চিনা শত্রু প্রথমে তাইওয়ানের কিনমেন দ্বীপকে দখল করতে চাইছে। আকাশপথেও তাইওয়ানের ওপর আক্রমণ করেছে চীন।
দীর্ঘদিন দুই দেশের পরিস্থিতি শান্ত ছিল কিন্তু হঠাৎ করেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এই দুই দেশের মধ্যে। চীন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার কারণে ৯ এর দশকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরম শিখরে পৌছে গেছিল। কিনমেন দ্বীপে বসবাসকারীরা জানিয়েছেন যে আবহাওয়া ক্রমশ জটিল হয়ে উঠেছে। চিনা শত্রুরা যখন-তখন তাইওয়ান এর ওপর হামলা চালাতে পারে। এর জন্য ওখানকার বসবাসকারীরা নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।
আমেরিকার সরকার তাইওয়ানের পাশে আছেন। তাইওয়ান কে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ২৫০কোটি ডলারের বিনিময়ে ১০০টি হারপুন ক্ষেপণাস্ত্র রপ্তানি করা হয়েছে।
এই ক্ষেপণাস্ত্র ১৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত যে কোন বস্তুর ক্ষতি করতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের ফলে তাইওয়ানে শান্তিপূর্ণভাব বিরাজ করবে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইন ওয়েন জানিয়েছেন, তাইওয়ান স্বাধীন দেশ। জোরপূর্বক চীন নিজের বলে দাবী করছে। ইচ্ছাকৃতভাবেই তাইওয়ানের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে চীন।