লোকলজ্জার ভয়ে অবিবাহিতা গর্ভবতী কন্যাকে কুপিয়ে মারল নিজের বাবা-মা।

2nd November 2020 11:48 am News
লোকলজ্জার ভয়ে অবিবাহিতা গর্ভবতী কন্যাকে কুপিয়ে মারল নিজের বাবা-মা।


বেশ কিছু অপরাধমূলক ঘটনা রীতিমতো তাজ্জব বানিয়ে দেয় আমাদের। এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সারা দেশের মধ্যে অপরাধমূলক কাজ কর্মের বিরাম নেই। কিন্তু তারই মধ্যে এমন কিছু অপরাধমূলক ঘটনা ঘটছে যা রীতিমতো নৃশংস এবং বেদনাদায়ক। এরকমই একটি জঘন্য ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে। এমনিতেই এই রাজ্যটি বরাবর বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ কর্মের জন্য কুখ্যাত হয়ে রয়েছে। ‌ সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ড সারাদেশকে উত্তাল করে দিয়েছে। এবার সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আবার একটি নৃশংস ঘটনায় চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে সারাদেশে। 

পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে অনেক সময় নিজের ছেলে বা মেয়েকে খুন করার ঘটনা আকছার ঘটেছে ভারতের বুকে। ঠিক এ রকমই একটি ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ে। সেখানে নিজের অবিবাহিতা গর্ভবতী মেয়েকে লোকলজ্জার ভয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে আলবাপুরে রেল লাইনের উপরে ফেলে দিয়ে চলে এলো তার বাবা-মা। পুলিশ এই হতভাগ্য মেয়েটির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। 

প্রথমে রেল লাইনের ধার থেকে মেয়েটির মৃতদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তে দেখা যায় ওই যুবতী গর্ভবতী ছিলেন। তখনই তার বাবা কমলেশ এবং তার মা অনিতা দেবী কে রীতিমত জেরা করতে শুরু করে পুলিশ। কিন্তু মেয়েটির বাবা কমলেশ উল্টে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলো যে, তার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু অবশেষে পুলিশি জেরার মুখে ভেঙে পড়েছে স্বীকার করে সে এবং তার স্ত্রী দুজনে মিলেই তাদের মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করেছে। কমলেশ পুলিশকে জানিয়েছে , হঠাৎ করে তার মেয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়েছিল, কিন্তু সেই সন্তানের বাবা কে এই বিষয়টি কিছুতেই বলতে চাইছিল না তার মেয়ে। গর্ভপাত করাতে নিয়ে গেলেও ৬ মাস কেটে যাওয়ার দরুন গর্ভপাত সম্ভবপর হয়নি। তখনই চরম লোকলজ্জার ভয়ে তার বাবা-মা সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেয়েকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেবে। 
পরিকল্পনা মতো রাত্রিবেলা রেললাইনের ধারে নিয়ে গিয়ে তার মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে তার বাবা-মা। সাথে সাথেই প্রাণ হারায় হতভাগ্য ওই মেয়েটি। তারপর মেয়ে মৃতদেহ রেললাইনে ফেলে দিয়ে চলে আসে তার বাবা-মা। 
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই সারা দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বয়ে গিয়েছে। সকলেই এই মেয়েটির বাবা-মার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।