বাসের চাকায় পিষ্ট সিভিক ভলান্টিয়ার। চাঞ্চল্যকর ঘটনা মালদায়।

10th November 2020 2:47 pm News
বাসের চাকায় পিষ্ট সিভিক ভলান্টিয়ার। চাঞ্চল্যকর ঘটনা মালদায়।


বেপরোয়া গাড়ি চালানো সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত। দিনের পর দিন মানুষ খুবই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। মানছে না কোন সিগন্যাল এবং  পুলিশ প্রশাসন। অনেক রকম আইনি ব্যবস্থা থাকা সত্বেও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ঘটনা কমবেশি রোজই প্রকাশ্যে আসে।

এমনই এক ঘটনা ঘটল মালদাতে। এক সিভিল ভলেন্টিয়ার কে চাকায় পিষ্ট করে চলে গেল একটি বেসরকারি বাস। ঘটনাস্থলেই মর্মান্তিক ভাবে মারা গেলেন সেই সিভিক ভলেন্টিয়ার। 

প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা গেছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে আসছিল সেই। মালদার মুখে ফ্লাইওভার থেকে নামার পরই ধাক্কা মেরে চলে যায় একটি বেপরোয়া বাস। কর্মরত এক সিভিল ভলেন্টিয়ার কে ধাক্কা মেরে চলে যায়। ঘটনাস্থলে সিভিক ভলেন্টিয়ার এর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। শুধু তাই নয় সিভিক ভলেন্টিয়ার কে ধাক্কা মারার পরে এক রিস্কা চালককে ধাক্কা মেরে চলে যায় সেই বাসটি। রিস্কা তে থাকা রিস্কা চালক এবং যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।

সিভিক ভলেন্টিয়ার কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। জানা গেছে তার এক ছোট্ট সন্তান রয়েছে। তার মৃত্যুতে পুলিশ মহলে ও পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। 

কিন্তু, এই ঘটনা প্রথমবার নয়। ন এর আগে বহু বেপরোয়া গাড়ি অনেক মানুষকেই মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিয়েছে। কোন আইনি ব্যবস্থা করেও কেন গাড়ির এই বেপরোয়া পোনা কমানো যাচ্ছে না তা নিয়ে চিন্তিত পুলিশ প্রশাসন। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে বাসের চালক ও বাসটিকে আটক করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা এইরকম দুর্ঘটনার চোখের সামনে দেখার ফলে তারা রীতিমতো আতঙ্কিত।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।