দেখুন, ভারতের মধ্যে দেখা যায় সবথেকে বিষধর কয়েক ধরণের সাপ। চিনে নিন এদের।

12th November 2020 1:04 pm Information
দেখুন, ভারতের মধ্যে দেখা যায় সবথেকে বিষধর কয়েক ধরণের সাপ। চিনে নিন এদের।


সাপ শব্দটি শুনলে মনের ভিতর ভয়ের উদ্রেক হলেও আদতে সাপ অত্যন্ত ভীতু এবং নিরীহ প্রাণী।  এরা সাধারণত মানুষের বাসস্থান থেকে দূরে থাকতেই ভালোবাসে। এই সাপ ঘিরে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে বেশ কিছু কুসংস্কার। কিন্তু পরিবেশবিদরা বারবার বলে আসছেন পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় সাপের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। ভয়ে, অকারণে সাপ পিটিয়ে মেরে দেওয়া প্রায়শই দেখা যায়। কিন্তু সাপ দেখা গেলে তাকে অযথা পিটিয়ে না মেরে তাকে স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়া উচিৎ। 
ভারতবর্ষে রয়েছে জীব বৈচিত্র্যের সমাহার। তেমনি ভারতবর্ষের পরিলক্ষিত হয় বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। তার মধ্যে কিছু বিষাক্ত এবং কিছু নির্বিষ। একবার চটপট দেখে নিন ভারতে বিষাক্ত কয়ৈক ধরনের সাপের সম্বন্ধে। 

ভারতে মোট ৬০ ধরণের বিষাক্ত সাপ রয়েছে। যেমন ,

 ব্যান্ডেড ক্রেইট বা শাঁখামুটি 
এই প্রজাতির সাপ দেখতে হলুদ এবং কালো ডোরাকাটা হয়। এইসব সর্বোচ্চ ৬ ফুটেরও বেশি হতে পারে। অত্যন্ত বিষধর সাপ পাওয়া যায় মিজোরাম থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম প্রভৃতি জেলায়। এইসব সাধারণত কাউকে চট করে কামড়ায় না। তবে বিরক্ত করা হলে এটি কামড়াতে পারে। এইসব সাধারণত অন্যান্য সাপেদের ধরে খায়। 
 
কিং কোবরা বা শঙ্খচূড়

ভারতের মধ্যে সবথেকে  বিষাক্ত সাপ হলো শঙ্খচূড় বা কিং কোবরা। সাধারনত এই সাপ ১০ ফুট থেকে শুরু করে ১৪ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। নিউরোটক্সিন বিষ এদের তীব্র প্রাণঘাতী বানায়। এই প্রজাতির সাপ সাধারণত বেশি পাওয়া যায় তামিলনাড়ু, কেরালা এবং অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহারে। এইসব সাধারণত অন্য প্রজাতির সাপ ইঁদুর, পাখি ইত্যাদি খেয়ে থাকে । 

স্প্যাকটেকেলড্ কোবরা বা গোখরো।

এইসব ভারতের মধ্যে পাওয়া অন্যতম বিষধর সাপ। এই সাপ সাধারণত লম্বা হতে ৪ ফুট থেকে শুরু করে ১০ ফুট পর্যন্ত। এই সাপের মধ্যে আবার বিভিন্ন ধরনের প্রজাতি পরিলক্ষিত হয়। অত্যন্ত প্রাণঘাতী নিউরোটক্সিন বিষ এদের শরীরে দেখা যায়। সাধারণত ছোট সাপ থেকে শুরু করে কাঠবিড়ালি, ব্যাঙ, ইঁদুর, ছোট পাখি এরা খেয়ে থাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে ভারতের সর্বত্র এদের দেখা মেলে। 

রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া

ভারতের অন্যতম বিষাক্ত এই সাপটির শরীরে দেখা যায় হিমোটক্সিন বিষ। প্রাণঘাতী এই বিষ এখনো পর্যন্ত বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। প্রায় ১২৪ সেন্টিমিটার এর থেকেও লম্বা হতে পারে এই সাপ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে পাঞ্জাব, বিহার, উড়িষ্যা প্রভৃতি জায়গায় এই সাপের দেখা মেলে। 

কেউটে

তীব্র নিউরোটক্সিন বিষযুক্ত এইসব সাধারণত পশ্চিমবঙ্গের মাঠে-ঘাটে বেশি দেখা যায়। সাধারণত মেঠো ইঁদুর থেকে শুরু করে ব্যাং, এবং ছোট প্রজাতির পাখি খেয়ে বেঁচে থাকে এই সাপ। বিগত ১০ বছরে এই সাপের আনাগোনা যথেষ্ট কম হয়ে গিয়েছে পশ্চিম বাংলার বুকে যা পরিবেশের পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। অত্যন্ত চতুর এবং গতি সম্পন্ন এই সাপ সাধারণত মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে থাকতে ভালোবাসে। প্রায় ৬ ফুটেরও বেশি লম্বা হয় এই সাপ ।





Others News

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।


প্রতিটি মানুষ চান তার জীবন হোক সুখে এবং স্বাচ্ছ্যন্দে ভরপুর। সেই লক্ষ্যে সকলেই পরিশ্রম করে থাকেন। পরিশ্রম ব্যতীত কখনোই সাফল্য চট করে ধরা দেয় না। তবে অনেক সময় দেখা যায় অত্যধিক পরিশ্রম করেও  ‌ কিছুতেই অর্থ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হচ্ছে না । এর জন্য অনেকেই বিভিন্ন জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে অর্থভাগ্য ফিরিয়ে আনতে গেলে , বাড়িতেই আপনি এমন কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন যা আপনার জীবনে টাকা-পয়সার বর্ষণ ঘটিয়ে দেবে । দেখে নিন কি কি সেই জিনিস - 

১) চন্দন কাঠের টুকরো

চন্দন কাঠ অথবা চন্দন কাঠের কোন টুকরো বাড়িতে রাখলে এগুলি বাড়ির পক্ষে খুবই শুভ বলে বিবেচিত হয়। কোন অশুভ শক্তি বাড়ির মধ্যে তার প্রভাব ফেলতে পারে না। 

২) ঘিয়ের শিশি

বাড়িতে ঘুমের প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবানের সামনে রাখলে আর্থিক উন্নতি হয় খুবই দ্রুত। ঘিয়ের শিশি রেখে দিতে হবে বাড়িতে ঠাকুরঘরে‌ ।

৩) ময়ুরপালক

বাড়িতে ময়ূর পালক রাখা অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। ময়ূর পালক রাখলে কোন নেগেটিভ এনার্জি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, এবং আর্থিক উন্নতি হয় তাড়াতাড়ি। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মাথায় ময়ূরের পুচ্ছ বিরাজ করতো। 

৪) মধুর শিশি

বাড়িতে মধু রাখা অত্যন্ত শুভ বলে অনেক হিন্দুরাই মনে করেন। মধু আর্থিক উন্নতিতে একান্তই সহায়ক। 

৫) বাঁশি

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে সব সময় ধরা থাকত বাঁশি। বাড়িতে বাঁশি রাখলে, আর্থিক উন্নতি হয় দ্রুত গতিতে। 

৬) দক্ষিণামুখী শঙ্খ

ঠাকুর ঘরে ঠাকুরের কাছে দক্ষিণামুখী শঙ্খ রাখলে এবং রোজ সেই শঙ্খে জল দিলে আর্থিক উন্নতি আপনার কেউ আটকাতে পারবেনা।