বাঁকুড়ার একটি গ্রাম এখনো অন্ধকারে। প্রতি রাতে তাড়া করে ভূতের আতঙ্ক। গ্রাম ত্যাগ করেছেন গ্রামবাসীরা।

13th November 2020 12:42 pm News
বাঁকুড়ার একটি গ্রাম এখনো অন্ধকারে। প্রতি রাতে তাড়া করে ভূতের আতঙ্ক। গ্রাম ত্যাগ করেছেন গ্রামবাসীরা।


প্রেতের অস্তিত্ব নিয়ে চিরকাল বিজ্ঞান সন্দেহ প্রকাশ করে এসেছে। কিন্তু বহু মানুষ এখনো প্রেতের অস্তিত্বকে বিশ্বাস করেন। অনেকেই এখনো মনে করেন যে, 'তেনারা' আছেন। বহু মানুষ এখনো মনে করেন যে তাদের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রেতপুরীর বাসিন্দারা। সেরকমই একটি ঘটনা তুলে ধরা হলো আপনাদের সামনে। 

ভারতের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু জায়গা যেগুলি লোকমুখে প্রচলিত ভৌতিক জায়গা হিসাবে। সেরকমই একটি জায়গা হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বুকে অবস্থিত বাঁকুড়ার একটি গ্রাম। এই গ্রামের নাম চালিবাড়ি ডিহিপাড়া। এই গ্রামটি লোকমুখে প্রচলিত ভৌতিক গ্রাম হিসাবে । কিন্তু জানা যায় বছর পাঁচেক আগে এই গ্রামে বসবাস করত প্রায় কুড়িটি পরিবার । জীবন এগিয়ে চলছিল রীতিমতো স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু হঠাৎই একদিন এই গ্রামের এক যুবক রহস্যজনক ভাবে খুন হয়ে যায়। এবং তারপর থেকেই বদলে যেতে থাকে স্বাভাবিক চিত্রগুলি। প্রতি রাতে গ্রামের এদিকে ওদিকে ওই যুবকের অশরীরী আত্মা কে দেখতে পায় গ্রামবাসীরা। প্রতিটি গ্রামবাসীর বাড়িতে নাকি ওই নিহত যুবকের আত্মার আনাগোনা শুরু হয়। যার ফলে একসময় আতঙ্কে ঘর ছাড়তে শুরু করেন গ্রামবাসীরা। তবে তিন থেকে চারটি পরিবার শেষমেষ গ্রামে আসেন কিন্তু তারাও প্রতিটি দিন আতঙ্ক কে সঙ্গী করে দিন কাটাচ্ছেন।

আরো অন্যতম একটি কারণ হলো এই গ্রামে এখনো বিদ্যুতের আলো পৌঁছায় নি। এমনকি রাস্তাঘাট এখনো কাঁচা। প্রশাসনিক তরফে আশ্বাস দিলেও এখনো কোনো উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়নি এই গ্রামে। 
গ্রামটিতে গেলে দেখা যাবে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে উঁকি মারছে কয়েকটি বাড়ি অস্তিত্ব।

সন্ধ্যার পরই যে কয়েকটি পরিবার আছে তারা আর বাইরে বেরোন না। এবং বাইরে থেকে কেউ এই গ্রামের রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন না। 
গ্রামবাসীদের বিশ্বাস অপঘাতে মৃত্যুর পর ওই খুন হয়ে যাওয়া যুবকের আত্মা এখনো অতৃপ্ত হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে গ্রামের আনাচে-কানাচে। আতঙ্কের মধ্যে নির্জনতা এবং ভয় কে সঙ্গী করে দিন কাটাচ্ছেন এই গ্রামের বাকি কয়েকটি পরিবার।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।