গন্ডার এবং ঘোড়া জন্ম নিয়েছিল ভারতেই, আবিষ্কার করলেন প্রাণিবিজ্ঞানীরা।

14th November 2020 10:38 am News
গন্ডার এবং ঘোড়া জন্ম নিয়েছিল ভারতেই, আবিষ্কার করলেন প্রাণিবিজ্ঞানীরা।



বিভিন্ন জীব বৈচিত্রের সমাহার ঘটেছে ভারতবর্ষে। বিভিন্ন পাখি থেকে শুরু করে ঘোড়া, গণ্ডার, হাতি, বাঘ, সিংহ ইত্যাদি সমাহার ঘটেছে ভারতবর্ষে। সুন্দরবন হলো অন্যতম জীব বৈচিত্রের সমৃদ্ধ স্থান। সুন্দরবনে অনেক রকমের পশু পাখি দেখা যায়। অনেক প্রাণী বিজ্ঞানীরা অনেক ধরনের প্রাণের উৎপত্তি সম্পর্কে অনেক কিছু আবিষ্কার করেছেন। কিন্তু ঘোড়া ও গন্ডারের আবিষ্কার নিয়ে অনেক মতবিরোধ ছিল। অবশেষে প্রাণিবিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে ফেললেন ঘোড়া এবং গন্ডারের জন্ম ভারতবর্ষেই।

বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এক প্রাণীবিদ আবিষ্কার করে বলেছেন যে ঘোড়া এবং গন্ডারের প্রথম উৎপত্তি হয়েছিল ভারতবর্ষে। এই প্রাণীগুলোর জীবাশ্ম উদ্ধার হয়েছিল গুজরাটে। সেখান থেকে কিছু প্রাণীবিদ গবেষণা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। ওয়াদিয়া হিমালয় ভূতত্ত্ব ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা এই জীবাশ্ম গুলির গবেষণা করেছেন। জীবাশ্ম গুলি মনে করা হয় প্রায় ৫০ মিলিয়ন বছর আগেকার।

শুধুমাত্র হিমালয় ভূতত্ত্ব ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরাও নয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বেলজিয়ামের প্রাণিবিজ্ঞানীরা এই আবিষ্কারে যুক্ত ছিলেন। শুধুমাত্র ঘোড়া আর গন্ডারের জীবাশ্ম পাওয়া গেছে তা নয়। এর সাথে তার ইটের জীবাশ্ম সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে। প্রাণী বিজ্ঞানীদের মতে এই শব্দগুলি আগে সারমেয়র মত ছিল। ধীরে ধীরে তাদের বিবর্তন হতে হতে কুকুরের থেকে অনেক গুন বড় হয়ে উঠেছে। এছাড়াও যেখান থেকে জীবাশ্ম প্রাপ্ত হয়েছে সেখানে ব্যাং, বানর এবং সাপের‌ ও জীবাশ্ম পাওয়া গেছে।

ওয়াদিয়ার বিজ্ঞানীরা, জানিয়েছেন যে যেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে সেখানে 5 কোটি বছর আগে একটি বিশাল ও গভীর জলাশয় ছিল। এবং জলাশয়টি জলশূন্য ছিল না বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। এবং যাদের জীবাশ্ম পাওয়া গেছে তারা বেশিরভাগই তৃণভোজী প্রাণী ছিল। সেই সময়ে আবহাওয়া জলবায়ু শুষ্ক ছিল না।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।