বিভিন্ন জীব বৈচিত্রের সমাহার ঘটেছে ভারতবর্ষে। বিভিন্ন পাখি থেকে শুরু করে ঘোড়া, গণ্ডার, হাতি, বাঘ, সিংহ ইত্যাদি সমাহার ঘটেছে ভারতবর্ষে। সুন্দরবন হলো অন্যতম জীব বৈচিত্রের সমৃদ্ধ স্থান। সুন্দরবনে অনেক রকমের পশু পাখি দেখা যায়। অনেক প্রাণী বিজ্ঞানীরা অনেক ধরনের প্রাণের উৎপত্তি সম্পর্কে অনেক কিছু আবিষ্কার করেছেন। কিন্তু ঘোড়া ও গন্ডারের আবিষ্কার নিয়ে অনেক মতবিরোধ ছিল। অবশেষে প্রাণিবিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে ফেললেন ঘোড়া এবং গন্ডারের জন্ম ভারতবর্ষেই।
বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এক প্রাণীবিদ আবিষ্কার করে বলেছেন যে ঘোড়া এবং গন্ডারের প্রথম উৎপত্তি হয়েছিল ভারতবর্ষে। এই প্রাণীগুলোর জীবাশ্ম উদ্ধার হয়েছিল গুজরাটে। সেখান থেকে কিছু প্রাণীবিদ গবেষণা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। ওয়াদিয়া হিমালয় ভূতত্ত্ব ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা এই জীবাশ্ম গুলির গবেষণা করেছেন। জীবাশ্ম গুলি মনে করা হয় প্রায় ৫০ মিলিয়ন বছর আগেকার।
শুধুমাত্র হিমালয় ভূতত্ত্ব ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরাও নয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বেলজিয়ামের প্রাণিবিজ্ঞানীরা এই আবিষ্কারে যুক্ত ছিলেন। শুধুমাত্র ঘোড়া আর গন্ডারের জীবাশ্ম পাওয়া গেছে তা নয়। এর সাথে তার ইটের জীবাশ্ম সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে। প্রাণী বিজ্ঞানীদের মতে এই শব্দগুলি আগে সারমেয়র মত ছিল। ধীরে ধীরে তাদের বিবর্তন হতে হতে কুকুরের থেকে অনেক গুন বড় হয়ে উঠেছে। এছাড়াও যেখান থেকে জীবাশ্ম প্রাপ্ত হয়েছে সেখানে ব্যাং, বানর এবং সাপের ও জীবাশ্ম পাওয়া গেছে।
ওয়াদিয়ার বিজ্ঞানীরা, জানিয়েছেন যে যেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে সেখানে 5 কোটি বছর আগে একটি বিশাল ও গভীর জলাশয় ছিল। এবং জলাশয়টি জলশূন্য ছিল না বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। এবং যাদের জীবাশ্ম পাওয়া গেছে তারা বেশিরভাগই তৃণভোজী প্রাণী ছিল। সেই সময়ে আবহাওয়া জলবায়ু শুষ্ক ছিল না।