কালি পুজোতে নিষিদ্ধ বাজি ফাটানো এবং বিক্রি। শহরজুড়ে নজরদারি চালাতে হেল্পলাইন নম্বর চালু করল লালবাজার।

14th November 2020 11:50 am News
কালি পুজোতে নিষিদ্ধ বাজি ফাটানো এবং বিক্রি। শহরজুড়ে নজরদারি চালাতে হেল্পলাইন নম্বর চালু করল লালবাজার।


আজ বাঙালির কালীপুজা। কিন্তু প্রতি বছরের তুলনায় এই বছরের কালী পূজার সেই চেনা পরিচিত চিত্রটি উধাও। তার কারণ এই বছরে সন্ত্রাসের ভয়াবহ রাজত্ব চালাচ্ছে করোনা ভাইরাস । তাই এবছর প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে বাজি পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ‌ কালীপূজায় বাজি পোড়ানোর উপরে নিষেধাজ্ঞা লাগিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তাই সারা দেশজুড়ে এবারে দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

কলকাতা হাইকোর্ট আগেই রায় দিয়েছিল যে কালীপুজোয়  কোনরকম বাজি পোড়ানো যাবে না। এই নির্দেশ কে কার্যকর করার জন্য আসরে নেমেছে কলকাতা পুলিশ। শহর জুড়ে রীতিমতো নজরদারি চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে। এই মর্মে নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে সমস্ত থানায়। লালবাজারে একটি বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। এই হেল্পলাইনে ফোন আসলেই এবং যদি অভিযোগ আছে যে কোথাও বাজি পোড়ানো হচ্ছে তাহলে সাথে সাথে ঐ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে এলাকার থানার পুলিশ। ‌

তবে শুধুমাত্র শব্দ বাজি পোড়ানোর ক্ষেত্রেই নয়, যে কোনো রকমের আতসবাজি পোড়ালেই তা আইন বিরুদ্ধ কাজ বলে গণ্য করা হবে। এবং বাজি বিক্রি করবে যারা এবং যারা বাজি পোড়াবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশের লালবাজার হেড কোয়ার্টার। নিষিদ্ধ শব্দবাজির উপরে আগে থেকেই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। যেসব জায়গায় নিষিদ্ধ শব্দবাজি আগেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সেইসব জায়গাগুলি কে কড়া নজরে রাখছে কলকাতা পুলিশ। ইতিমধ্যেই শহরের বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়ে বহু পরিমাণ বাজি এবং বাজির মশলা উদ্ধার করেছে কলকাতা পুলিশ। 

লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে ১০০ ডায়াল করে যে কেউ বাজি পোড়ানোর বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন অথবা নতুন হেল্পলাইন নম্বর 
৯৪৩২৬১০৪৪ তে ফোন করে বাজি পোড়ানোর বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন। যে অঞ্চল থেকে ফোন করবে সেই অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ হতে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেবে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।