করোনার কারণে অর্থনৈতিক অবস্থা চলে গেছে তলানীতে। গরীব এবং মধ্যবিত্ত দের অবস্থা খুবই শোচনীয়। এর ফলে শিশুদের ওপর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চাপ পড়ছে। বেশ কিছু সমীক্ষায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। বেশ কিছু সংখ্যক শিশু, পরিবারের আয় প্রায় না থাকার দরুন পড়াশোনা ছেড়ে শিশু শ্রমিকের দলে নাম লেখাচ্ছে।
লকডাউন এর কারণে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চালু হয়েছিল অনলাইন ডিজিটাল ক্লাস। কিন্তু বেশিরভাগ দিকে দেখা গেছে স্মার্টফোন ও ডাটা রিচার্জ এর যথা সামর্থ্য অর্থ না থাকায় পড়াশোনার বিশাল ক্ষতি হয়েছে একশ্রেণীর শিশুর। ইউনিসেফ ও ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন একটি রিপোর্টে বলেছেন প্রায় ২০০০ সালের পর থেকে প্রায় ৯৫ মিলিয়ন শিশু শ্রমিক কমেছে। কিন্তু করোনার জন্য প্রচুর মানুষের চাকরি চলে গেছে। কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য অর্থ উপার্জন তাদেরকে করতেই হবে। তাই সেসব পরিবার বেছে নিয়েছে কিছু বিপদজনক কাজের সন্ধান। সেই সাথে সাথে দেখা দিয়েছে অনেক শিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে নাম লিখিয়েছে শিশু শ্রমিকদের দলে।
দিল্লির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অনুমান করেছেন প্রায় ৫০০ জন শিশুর মধ্যে কমপক্ষে ৫০ শতাংশের বেশি শতাংশ শিশু নিযুক্ত হয়েছে এই শিশুশ্রমে। তারা শাক সবজি বিক্রি করা, জামা কাপড় তৈরি করা, নোংরা ফেলে আসা ইত্যাদির মত অনেক কাজের সাথে যুক্ত হয়েছে। অভাবের তাড়নায় শুধু যে তাদের পড়াশোনার জীবন নষ্ট হয়েছে তাই নয় সাথে সাথে তাদের শৈশব ঝরে পড়ছে শুকনো ফুলের পাপড়ির মত। কিন্তু এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় কি? তা নিয়ে ভাবাচ্ছে রীতিমতো!