করোনার এই ভয়াবহ আবহে স্কুলছুট বহু শিশু অভাবের তাড়নায় পরিণত হচ্ছে শিশু শ্রমিকে। সামনে এল উদ্বেগজনক রিপোর্ট।

17th November 2020 1:01 pm News
করোনার এই ভয়াবহ আবহে স্কুলছুট বহু শিশু অভাবের তাড়নায় পরিণত হচ্ছে শিশু শ্রমিকে। সামনে এল উদ্বেগজনক রিপোর্ট।


করোনার কারণে অর্থনৈতিক অবস্থা চলে গেছে তলানীতে। গরীব এবং মধ্যবিত্ত দের অবস্থা খুবই শোচনীয়। এর ফলে শিশুদের ওপর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চাপ পড়ছে। বেশ কিছু সমীক্ষায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। বেশ কিছু সংখ্যক শিশু, পরিবারের আয় প্রায় না থাকার দরুন পড়াশোনা ছেড়ে শিশু শ্রমিকের দলে নাম লেখাচ্ছে। 

লকডাউন এর কারণে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চালু হয়েছিল অনলাইন ডিজিটাল ক্লাস। কিন্তু বেশিরভাগ দিকে দেখা গেছে স্মার্টফোন ও ডাটা রিচার্জ এর যথা সামর্থ্য অর্থ না থাকায় পড়াশোনার বিশাল ক্ষতি হয়েছে একশ্রেণীর শিশুর। ইউনিসেফ ও ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন একটি রিপোর্টে বলেছেন প্রায় ২০০০ সালের পর থেকে প্রায় ৯৫ মিলিয়ন শিশু শ্রমিক কমেছে। কিন্তু করোনার জন্য প্রচুর মানুষের চাকরি চলে গেছে। কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য অর্থ উপার্জন তাদেরকে করতেই হবে। তাই সেসব পরিবার বেছে নিয়েছে কিছু বিপদজনক কাজের সন্ধান। সেই সাথে সাথে দেখা দিয়েছে অনেক শিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে নাম লিখিয়েছে শিশু শ্রমিকদের দলে। 

দিল্লির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অনুমান করেছেন প্রায় ৫০০ জন শিশুর মধ্যে কমপক্ষে ৫০ শতাংশের বেশি শতাংশ শিশু নিযুক্ত হয়েছে এই শিশুশ্রমে। তারা শাক সবজি বিক্রি করা, জামা কাপড় তৈরি করা, নোংরা ফেলে আসা ইত্যাদির মত অনেক কাজের সাথে যুক্ত হয়েছে। অভাবের তাড়নায় শুধু যে তাদের পড়াশোনার জীবন নষ্ট হয়েছে তাই নয় সাথে সাথে তাদের শৈশব ঝরে পড়ছে শুকনো ফুলের পাপড়ির মত। কিন্তু এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় কি? তা নিয়ে ভাবাচ্ছে রীতিমতো!





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।