অমানবিক। নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ড কেটে নিলো ধর্ষকরা

18th November 2020 3:31 pm News
অমানবিক। নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ড কেটে নিলো ধর্ষকরা


সারা ভারতে কয়েক মাসের মধ্যেই নারী নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে । বিশেষ করে সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের বুকে ঘটে যাওয়া হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ড সারাদেশে তীব্র আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। ‌ সমস্ত ঘটনা গুলি থেকে এই বিষয়টি খুবই উদ্বেগের যে ভারতে নারী সুরক্ষার দিকটি অন্ধকারে তলিয়ে যেতে বসেছে। আবারো এক নৃশংস ঘটনা ঘটলো সেই উত্তরপ্রদেশেই। মাত্র ছয় বছরের মেয়েকে গণধর্ষণ করে ধর্ষকরা হৃদপিন্ড ও ফুসফুস কেটে নিল। দেশ উন্নত হলেও এখনো মানুষের মন থেকে কুসংস্কারের ছাপ কাটেনি। তারই এক নিদর্শন মিলল উত্তরপ্রদেশের এই অমানবিক ঘটনায়। 

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানপুরের। দেওয়ালির রাত্রে হঠাৎ করেই ওই মেয়েটি উধাও হয়ে যায়। দেওয়ালির প্রস্তুতি নেওয়ার সাথে সাথে বাড়ির লোক লক্ষ্য করে যে মেয়েটি অনেকক্ষণ ধরে নিখোঁজ। তাকে আশে পাশের জঙ্গলে খোঁজাখুঁজি শুরু করা হলে পাওয়া যায়নি মেয়েটির কোন চিহ্ন। পরদিন সকালে গ্রামের বাসিন্দারা ওই শিশু কন্যার দেহ দেখতে পায়। মেয়েটির জুতো ও জামাকাপড় একটি গাছের কাছে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তারপরেই মেয়েটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে মাত্র ছয় বছর বয়সী ওই কন্যাকে গণধর্ষণ করে হৃদপিন্ড ও ফুসফুস কেটে নেওয়া হয়েছে। পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, ওই বাচ্চা মেয়েটি কালা জাদুর শিকার হয়েছে।

অভিযুক্তের নাম অনকুল কুড়িল ও বিরাল। তারাই পুলিশের কাছে প্রথমে স্বীকার না করলেও পরে স্বীকার করে নেয় যে অনকুল ও তার বন্ধু মেয়েটিকে অপহরণ করে মদের নেশায় ধর্ষণ করে হত্যা করে। তারপর তার দেহ থেকে হৃদপিন্ড ও ফুসফুস কেটে নেয়। এমনটা জানা গেছে কোন এক মহিলাকে সন্তানের সুখ দেবে বলে এই কালা জাদু করা হয়। 

কিন্তু পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছেন মেয়েটি কুসংস্কারের শিকার হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে সঠিক প্রমাণ জোগাড় করতে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কে কাজে লাগানো হয়েছে। 

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই ব্যাপারে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। এবং ধর্ষকদের যাতে যথাসাধ্য শাস্তি হয় সে বিষয়েও তিনি যথেষ্ট সরব হয়েছেন।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।