দীর্ঘ ৪০ বছরের ধাবা। অর্থ না থাকলেও কাউকে অভুক্ত ফেরান না এই বৃদ্ধ।

21st November 2020 1:39 pm News
দীর্ঘ ৪০ বছরের ধাবা। অর্থ না থাকলেও কাউকে অভুক্ত ফেরান না এই বৃদ্ধ।


যুগ যত বাড়ছে ততোই মানুষের মানবিকতা কমে যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের ভালো-খারাপ সব মানুষকে নিয়েই চলতে হবে। অনেক খারাপ এর মাঝেও কিছু কিছু ভালো মানুষও রয়ে যায়। তারমধ্যে এক ভালো মানসিকতার পরিচয় দিলেন গুজরাটের বাসিন্দা বাচ্চু দাদা। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে এক ধাবা চালাচ্ছেন তিনি। তার যদি কোনদিন অর্থের অভাব ও হয় তাহলেও কোনদিন অভুক্ত ফেরান না কোন খদ্দেরকে। 

গুজরাটের 'বাচ্চু দাদা কা ধাবা' নামে এই ধাবাটি চালান বাচ্চু দাদা। দীর্ঘ চল্লিশ বছরের এই ধাবা। খুব অল্প টাকার বিনিময় মানুষকে খাবার দেন তিনি। শুধু তাই নয় এনার মানসিকতা এতটাই ভালো যে যারা অর্থহীন মানুষ তারা এখানে বিনা অর্থেই নিজের ক্ষুধা মেটাতে পারেন। বাহাত্তর বছরের এই বাচ্চু দাদা ধাবাটি তিনি একাই চালান। প্রতিদিন প্রায় ২০০ জন লোক খেতে আসেন এই ধাবাতে।

তিনি খাবারের দাম রেখেছেন মাত্র ৪০ টাকা। কিন্তু তার মহানুভবতা এতটাই যে কেউ যদি বিনামূল্যে খাবার চান তাকেও তিনি নিরাশ করেন না। 

বাচ্চু দাদা নিজে কুড়ে ঘরে বসবাস করেন। তার প্রধান উদ্দেশ্য গরীব ও দুঃস্থ মানুষদের খাওয়ানো। বাচ্চু দাদার এই মানসিকতার জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। কমলেশ মদি নামে এক ইউটিউবার তার এই খাবার নিয়ে ভিডিও করেছেন এর ফলে তার দোকানের গ্রাহকের পরিমাণ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।