আনুমানিক ১৩০০ বছরের পুরনো বিষ্ণু মন্দিরের খোঁজ পাওয়া গেল পাকিস্থানে।

23rd November 2020 2:01 pm News
আনুমানিক ১৩০০ বছরের পুরনো বিষ্ণু মন্দিরের খোঁজ পাওয়া গেল পাকিস্থানে।


ভারতবর্ষ হলো এক ঐতিহ্য পূর্ণ দেশ। ভারতবর্ষের বুকে  প্রচুর ঐতিহাসিক নিদর্শন পাওয়া গেছে। দেশ ভাগের আগে ভারতবর্ষের প্রচুর ঐতিহ্যের নিদর্শন পাওয়া গেছে। এমনকি দেশভাগের পরেও নানা রকম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নিদর্শন মিলছে বহু জায়গায়। পাকিস্তান থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের ভারতবর্ষের সংস্কৃতির ছাপ মিলেছে। 

আবারো ভারতবর্ষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ছাপ মিলল পাকিস্থানে। আনুমানিক ১৩০০ বছরের বিষ্ণুমন্দির পাওয়া গেল পাকিস্তানে। পাকিস্তানের একটি পাহাড়ি অঞ্চলে খোদাইয়ের কাজ চলছিল। হঠাৎ করেই প্রত্নতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা দেখতে পান এই প্রাচীন বিষ্ণুমন্দির কে। ইতালি ও পাকিস্তানের প্রত্নতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা এই খননকার্যে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় প্রত্নতাত্ত্বিকরা অনুমান করেন যে এই মন্দিরটি বহু পুরনো বিষ্ণু মন্দিরের নিদর্শন। সয়েতে এর আগেও বহু প্রাচীন সভ্যতা নিদর্শন পাওয়া গেছে। এছাড়া সৈয়দের বহু জায়গায় বৌদ্ধদের ধর্ম স্থল পূজার জায়গায় রয়েছে। এর আগেও পাকিস্থানে বৌদ্ধমূর্তি সন্ধান পাওয়া গেলে মৌলবাদীরা সেই বুদ্ধের মূর্তি কে ভেঙে দিয়েছিল। 

ইসলামধর্ম মতে ভগবান বুদ্ধ মূর্তিকে ইসলামবিরোধী বলে ঘোষণা করেছিল। পাকিস্তানের এই জায়গা থেকে বহু বিষ্ণুমন্দির পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।