কেরোসিন তেল ঢেলে পিঁপড়ের বাসায় আগুন জ্বালাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ যুবতী। মৃত্যু হল হাসপাতালে।

24th November 2020 1:15 pm News
কেরোসিন তেল ঢেলে পিঁপড়ের বাসায় আগুন জ্বালাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ যুবতী। মৃত্যু হল হাসপাতালে।


এক দুঃখজনক ঘটনা ঘটলো তামিলনাড়ুর আমিঞ্জিকড়াই তে। কেরোসিন তেল ঢেলে পিঁপড়ের বাসায় আগুন ধরাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী এক যুবতীর। গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ওই যুবতীর মা। 

জানা গিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ওই যুবতীর নাম হল এস. সঙ্গীতা । তবে বেশিরভাগ তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা বর্তমানে  এর উপর জোর দিয়েছে। সেইমতো সঙ্গীতা বাড়ি থেকে কাজ করছিলেন। সেই সময় তিনি দেখতে পান ঘরের এক স্থানে প্রচুর পরিমাণে পিঁপড়ে বাসা বেঁধেছে। সাথে সাথে তিনি পিঁপড়ের বাসা নষ্ট করে দেওয়ার জন্য সেখানে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। কিন্তু সেই সময় তিনি পলিস্টারের তৈরি কাপড়ের জামা পরেছিলেন। আগুন ধরানোর সময় কোনোভাবে তাঁর জামায় আগুন ধরে যায়। সাথে সাথে আগুন তাঁর সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর মা তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও অগ্নিদগ্ধ হন। তার বাবা ছুটে এসে ও তাকে বাঁচাতে পারেননি। তার ভাই এসে কম্বল চাপা দিয়ে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে প্রায় ৯০% পুড়ে গিয়েছে সঙ্গীতার শরীর। 

এরপরই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সঙ্গীতা এবং তার মাকে। কিন্তু জীবনযুদ্ধে হার মানেন সঙ্গীতা। রাত প্রায় ২ টো নাগাদ মৃত্যু হয় সঙ্গীতার। তাঁর মৃত্যুতে ঘোর অন্ধকার নেমে এসেছে সঙ্গীতার পরিবারে। তার কারণ পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন সঙ্গীতা। বর্তমানে তার বাবার হাতে কোনো কাজ নেই। তাই পরিবারের একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে শোকে হতভম্ব হয়ে গিয়েছেন তার বাবা এবং মা।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।