আজ দেশব্যাপী বাম সংগঠন গুলির ধর্মঘট। এই ধর্মঘটে আজ সকাল থেকেই কলকাতাজুড়ে এবং বাংলার বিভিন্ন জায়গায় বেশ ভালোরকম প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে কলকাতায় দুর্ভোগে পড়েছেন অফিস যাত্রীরা।
এই ধর্মঘটে বামেদের শরিক হয়েছে কংগ্রেস এবং তাতে নৈতিক সমর্থন জানাচ্ছে রাজ্য সরকারও। আজ সকাল থেকেই কলকাতা ধর্মতলা চত্বরে পুলিশের সংখ্যা অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি রয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। ধর্মতলা চত্ত্বর ছাড়াও ত্রিকোণ পার্ক থেকে শুরু করে মৌলালি, হাজরা , রাসবিহারী, পার্কসার্কাস, সল্টলেক প্রভৃতি জায়গায় যথেষ্ট পরিমাণে পুলিশ দেওয়া হয়েছে। তবে বাস পরিষেবা অন্যদিনের থেকে তুলনামূলক কম থাকলেও মোটামুটি চলছে।
বারাসাতের চাঁপাডালি মোড়ে বামেদের নেতৃত্বে চলছে পথ অবরোধ। তারপর অবরোধ তুলে নিয়ে বাম সংগঠনগুলোর মিছিল করে স্লোগান দিতে দিতে শহর পরিক্রমা শুরু করেছে। ডাউন বনগাঁ লোকাল মধ্যমগ্রাম স্টেশনে ঢোকার মুখে কিছু বাম সংগঠনের কর্মীরা ট্রেন লক্ষ্য করে নাকি পাথর ছুঁড়েছেন এমনটাই জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনায় যাত্রীদের কোন চোট লাগেনি। এছাড়াও বেশ কিছু জায়গায় সিটু সংগঠন টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে । শিয়ালদা লাইনে বেশকিছু স্টেশনে ট্রেন অবরোধের ঘটনা শোনা গিয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত অবরোধের খবর শোনা গিয়েছে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ঝামেলা এবং গন্ডগোলের খবর আসতে শুরু করেছে।
১৬ টি শ্রমিক সংগঠনের ডাকে দেশ জুড়ে এই ধর্মঘটে বেশ কিছু জায়গায় গন্ডগোলের ঘটনা ঘটেছে। বিটি রোডে ধর্মঘটীদের সাথে পুলিশের ধ্বস্তাধ্বস্তির খবর মিলেছে। ক্যানিং এবং বারাসাতে ধর্মঘটীদের ঠেকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করেছে । এছাড়াও শহরের বেশ কিছু জায়গায় দেখা গিয়েছে যে ধর্মঘটীরা জোরপূর্বক দোকান বন্ধ করে দিচ্ছে। সেখানে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।