শীতকালে রোদের তেজ খুবই বেশি হয়। এর ফলে ট্যান পড়ার মতো সমস্যা আমরা প্রায়শই লক্ষ্য করতে পারি। এছাড়া শীতকালে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকায় আমাদের ত্বক ও শুষ্ক হয়ে ওঠে। ত্বকেও জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কমে যায়। এর জন্য ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। নানা ধরনের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা সত্ত্বেও ত্বকের জেল্লা ফেরানো সম্ভব হয় না। তাই ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিছু টোটকা জেনে নেয়া যাক যার ফলে শীতকালেও থাকবে আপনার জেল্লাদার ও মসৃণ ত্বক।
বিউটি পার্লারে গিয়ে অনেকেই নিজের ত্বকের চর্চা করেন। কিন্তু করোনার আবহকাল অনেকেই পার্লারে যাওয়ার দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন। তাই ত্বকের চলছে এখন অনেকেই বাড়িতেই করছেন। শীতকালে ত্বক খসখসে হয়ে ওঠে। সেগুলো থেকে মুক্তি পেতে ময়েশ্চারাইজার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। ময়েশ্চারাইজারএর হিসাবে বাদাম তেল জাতীয় ব্যবহার করলে ত্বক ভালো থাকে। জেল্লাদার ও মসৃন হয়ে ওঠে।
শীতকালে রোদের তেজ অনেক বেশি থাকে। তাই ট্যান পরার মত সমস্যাগুলি লক্ষ্য করা যায়। ট্যান পড়া থেকে মুক্তি পেতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করে তবেই বাইরে বেরোন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।
শীতকালে অনেকেই গরম জলে চান করেন। কিন্তু অতিরিক্ত গরম জল ত্বক নষ্ট করে দিতে পারে। তাই সামান্য উষ্ণ গরম জলে ১,২ ফোটা বাদাম তেল মিশিয়ে নিয়ে যদি স্নান করেন তাহলে ত্বক মসৃণ থাকবে।
যারা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করেন তারা শীতকালে কখনোই লিকুইড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। তাতে কিছুক্ষণ বাদেই মুখের ত্বক ফেটে যায়। এসময় ক্রিম ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হয় না।
সময়ের অভাবে অনেকেই স্নান করে বাইরে বেরিয়ে পড়েন। কিন্তু এই কাজটি কখনোই করবেন না তাহলে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায় এবং চুল খুব সহজেই ঝরে যায়।
শীতকালে ঠোঁট ফাটার প্রবণতা দেখা যায়। ঠোঁট ফাটা থেকে মুক্তি পেতে সামান্য মধু ও চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব করে নিলে ঠোঁট ফাটে না। এছাড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করলেও ঠোঁট ফাটা থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।