শীতকালে রুক্ষ শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া কিছু টোটকা সহজেই বানিয়ে ফেলুন।এর সাথে সাথে শীতকালে পেয়ে যান মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক।

26th November 2020 1:49 pm Information
শীতকালে রুক্ষ শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া কিছু টোটকা সহজেই বানিয়ে ফেলুন।এর সাথে সাথে শীতকালে পেয়ে যান মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক।


শীতকালে রোদের তেজ খুবই বেশি হয়। এর ফলে ট্যান পড়ার মতো সমস্যা আমরা প্রায়শই লক্ষ্য করতে পারি। এছাড়া শীতকালে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকায় আমাদের ত্বক ও শুষ্ক হয়ে ওঠে। ত্বকেও জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কমে যায়। এর জন্য ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। নানা ধরনের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা সত্ত্বেও ত্বকের জেল্লা ফেরানো সম্ভব হয় না। তাই ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিছু টোটকা জেনে নেয়া যাক যার ফলে শীতকালেও থাকবে আপনার জেল্লাদার ও মসৃণ ত্বক। 

বিউটি পার্লারে গিয়ে অনেকেই নিজের ত্বকের চর্চা করেন। কিন্তু করোনার আবহকাল অনেকেই পার্লারে যাওয়ার দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন। তাই ত্বকের চলছে এখন অনেকেই বাড়িতেই করছেন। শীতকালে ত্বক খসখসে হয়ে ওঠে। সেগুলো থেকে মুক্তি পেতে ময়েশ্চারাইজার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। ময়েশ্চারাইজারএর হিসাবে বাদাম তেল জাতীয় ব্যবহার করলে ত্বক ভালো থাকে। জেল্লাদার ও মসৃন হয়ে ওঠে।

শীতকালে রোদের তেজ অনেক বেশি থাকে। তাই ট্যান পরার মত সমস্যাগুলি লক্ষ্য করা যায়। ট্যান পড়া থেকে মুক্তি পেতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করে তবেই বাইরে বেরোন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

শীতকালে অনেকেই গরম জলে চান করেন। কিন্তু অতিরিক্ত গরম জল ত্বক নষ্ট করে দিতে পারে। তাই সামান্য উষ্ণ গরম জলে ১,২ ফোটা বাদাম তেল মিশিয়ে নিয়ে যদি স্নান করেন তাহলে ত্বক মসৃণ থাকবে।

যারা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করেন তারা শীতকালে কখনোই লিকুইড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। তাতে কিছুক্ষণ বাদেই মুখের ত্বক ফেটে যায়। এসময় ক্রিম ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হয় না।

সময়ের অভাবে অনেকেই স্নান করে বাইরে বেরিয়ে পড়েন। কিন্তু এই কাজটি কখনোই করবেন না তাহলে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায় এবং চুল খুব সহজেই ঝরে যায়। 

শীতকালে ঠোঁট ফাটার প্রবণতা দেখা যায়। ঠোঁট ফাটা থেকে মুক্তি পেতে সামান্য মধু ও চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব করে নিলে ঠোঁট ফাটে না। এছাড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করলেও ঠোঁট ফাটা থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।





Others News

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।


প্রতিটি মানুষ চান তার জীবন হোক সুখে এবং স্বাচ্ছ্যন্দে ভরপুর। সেই লক্ষ্যে সকলেই পরিশ্রম করে থাকেন। পরিশ্রম ব্যতীত কখনোই সাফল্য চট করে ধরা দেয় না। তবে অনেক সময় দেখা যায় অত্যধিক পরিশ্রম করেও  ‌ কিছুতেই অর্থ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হচ্ছে না । এর জন্য অনেকেই বিভিন্ন জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে অর্থভাগ্য ফিরিয়ে আনতে গেলে , বাড়িতেই আপনি এমন কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন যা আপনার জীবনে টাকা-পয়সার বর্ষণ ঘটিয়ে দেবে । দেখে নিন কি কি সেই জিনিস - 

১) চন্দন কাঠের টুকরো

চন্দন কাঠ অথবা চন্দন কাঠের কোন টুকরো বাড়িতে রাখলে এগুলি বাড়ির পক্ষে খুবই শুভ বলে বিবেচিত হয়। কোন অশুভ শক্তি বাড়ির মধ্যে তার প্রভাব ফেলতে পারে না। 

২) ঘিয়ের শিশি

বাড়িতে ঘুমের প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবানের সামনে রাখলে আর্থিক উন্নতি হয় খুবই দ্রুত। ঘিয়ের শিশি রেখে দিতে হবে বাড়িতে ঠাকুরঘরে‌ ।

৩) ময়ুরপালক

বাড়িতে ময়ূর পালক রাখা অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। ময়ূর পালক রাখলে কোন নেগেটিভ এনার্জি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, এবং আর্থিক উন্নতি হয় তাড়াতাড়ি। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মাথায় ময়ূরের পুচ্ছ বিরাজ করতো। 

৪) মধুর শিশি

বাড়িতে মধু রাখা অত্যন্ত শুভ বলে অনেক হিন্দুরাই মনে করেন। মধু আর্থিক উন্নতিতে একান্তই সহায়ক। 

৫) বাঁশি

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে সব সময় ধরা থাকত বাঁশি। বাড়িতে বাঁশি রাখলে, আর্থিক উন্নতি হয় দ্রুত গতিতে। 

৬) দক্ষিণামুখী শঙ্খ

ঠাকুর ঘরে ঠাকুরের কাছে দক্ষিণামুখী শঙ্খ রাখলে এবং রোজ সেই শঙ্খে জল দিলে আর্থিক উন্নতি আপনার কেউ আটকাতে পারবেনা।