মহেশতলা এখনো অসমাপ্ত পড়ে ১২ বছর আগে মারাদোনার হাতে শিলান্যাস হওয়া ফুটবল একাডেমি।

28th November 2020 1:42 pm News
মহেশতলা এখনো অসমাপ্ত পড়ে ১২ বছর আগে মারাদোনার হাতে শিলান্যাস হওয়া ফুটবল একাডেমি।


গত ২৫ নভেম্বর ফুটবলের কিংবদন্তি দিয়াগো আমার্ন্ড মারাদোনা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোকগমন করেন। অধিনায়ক হিসেবে ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপে জয়লাভ করেছিলেন মারাদোনা।

মারাদোনার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার মাদক নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তবে বিতর্ক সবসময় তাড়া করে বেরিয়েছে ফুটবলের রাজপুত্র কে।তবে এই ফুটবলের রাজপুত্র কে বিশ্ববাসী মনে রাখবে তার পায়ের জাদুর জন্য। সারাজীবন বিশ্ববাসী তাদের মনি কোঠায় রেখে দেবে।

 ২০০৮ করেছিলেন তার নামাঙ্কিত একটি ফুটবল একাডেমীর। আজ কেটে গেল প্রায় ১২ বছর। মারাদোনাও আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু এখনো অব্দি মারাদোনার নিজের হাতে শিলান্যাস করা ফুটবল একাডেমি তৈরি হতে পারেনি। মহেশতলায় বেশ কয়েক একর জমিতে এই আবাসনটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল একসময়। 

এই আবাসন তৈরির জন্য ৩ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকার চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু 12 বছর কেটে গেলেও সেই ফুটবল একাডেমি এখন অব্দি বাস্তবের মুখ দেখেনি। 

মারাদোনার মৃত্যুর পর এই আবাসন তৈরির ব্যাপারটি মহেশতলা বাসীকে ক্ষুব্ধ করে তোলে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।