মহান কূটনীতিবিদ চাণক্যের এই নির্দেশ মেনে চললে জীবনে কেউ আপনার উন্নতি আটকাতে পারবে না

3rd December 2020 1:36 pm News
মহান কূটনীতিবিদ চাণক্যের এই নির্দেশ মেনে চললে জীবনে কেউ আপনার উন্নতি আটকাতে পারবে না


ভারতের প্রাচীন বিখ্যাত কূটনীতিক ছিলেন চাণক্য বা কৌটিল্য। তাঁর প্রদর্শিত পথে অনুসরণ করেছেন বহু রথী-মহারথীরা । জীবনে সফল হওয়ার পথে বিভিন্ন নিয়ম নীতি পালন করার কথা বলে গিয়েছেন। মানুষের প্রকৃত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কিভাবে জানা যায় সে সম্পর্কে তিনি অনেক কথা বলেছেন। তাঁর বিখ্যাত বই অর্থশাস্ত্র সারা পৃথিবী জুড়ে সমর্থন রয়েছে। 
পন্ডিত চাণক্য বলেছেন প্রতিটি মানুষ যদি চায় তার উপর মা লক্ষ্মীর কৃপা বর্ষিত হোক তাহলে অবিলম্বে তাকে তিনটি অভ্যাস এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ সকলেই জানি মা লক্ষ্মী ভীষণ চঞ্চল প্রকৃতির। ‌ তিনি কখনই এক জায়গায় অনেকদিন স্থায়ী থাকতে পারেন না। যে মানুষের উপর মা লক্ষ্মীর কৃপা বর্ষিত হয় তার জীবন হয়ে ওঠে সুখ সম্পদের প্রাচুর্যময়। কিছু মানুষের উপর থেকে মা লক্ষ্মীর কৃপা সরে যায় তাদের জীবনে উদ্ভব হয় প্রবল দুঃখ এবং দুর্দশার। 

আসুন জেনে নিন কি কি সেই তিন অভ্যাস এড়িয়ে চললে মা লক্ষ্মীর সুদৃষ্টি পড়বে আপনার উপরে। 

প্রথমত মানুষকে নিজের লোভ ত্যাগ করতে হবে। অতিরিক্ত লোভ মানুষকে অন্ধকারের দিকে নিক্ষেপ করে। তাই প্রতিটি মানুষের লোভ সংবরণ করা উচিত এবং নিজের সাধ্যমত যে প্রাপ্তিটা সে পাবে সেটা নিয়েই তাকে সন্তুষ্ট থাকা উচিত। 

দ্বিতীয়তঃ কেউ যদি অপর কোনো ব্যক্তিকে অপমান করে শান্তি পান তাহলে সেটা তার পতনের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হবে। সেই সাথে সেই ব্যক্তির উপর থেকে মা লক্ষ্মীর কৃপা চলে যাবে। তাই কখনোই কোনো রকম পরিস্থিতিতে কোনো মানুষকে অপমানজনক কথা বলবেন না। এটি মেনে চললে আপনার জীবনে মা লক্ষ্মীর কৃপা অবশ্যই বর্ষিত হবে। 

তৃতীয়তঃ চাণক্য কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন সকল কেই অতিরিক্ত রাগ সংবরণ করতে হবে। রাগে আমরা এমন কিছু কাজ করে থাকি যা পরবর্তী সময়ে আমাদের দুরবস্থার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সেই সাথে অতিরিক্ত রাগ মা লক্ষীকে আর‌ও চঞ্চলা করে দেয়। তাই মা লক্ষ্মীর কৃপার পাত্র হতে চাইলে অতিরিক্ত রাগ একদমই বর্জন করতে হবে। কারণ রাগ মানুষকে বিপথে চালিত করে। 

উক্ত তিন নীতি যদি আপনি মেনে চলতে পারেন, তাহলে অচিরেই আপনি জীবনে সাফল্যের সিঁড়ি চড়ায় একধাপ এগিয়ে যাবেন।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।