এবার চিনা দ্রব্য মিলল নামকরা মধুর মধ্যে। তারমধ্যে ডাবর ও পতঞ্জলি ও রয়েছে।

5th December 2020 10:55 am News
এবার চিনা দ্রব্য মিলল নামকরা মধুর মধ্যে। তারমধ্যে ডাবর ও পতঞ্জলি ও রয়েছে।


বর্তমানে প্রতিবেশী দেশ চীনের সাথে সম্পর্ক একবারের তলানিতে এসে ঠেকেছে ভারতের। তাই চীনের সমস্ত দ্রব্য থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত বর্ষ। 

তার পরেও ভারতবর্ষের অনেক কিছু দ্রব্যের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে চিনা দ্রব্য। ডাবর ও পতঞ্জলির মত নামকরা মধুর মধ্যে পাওয়া গেছে চিনা চিনি। এ কথা জানিয়েছেন সেন্টার ফর সাইন্স এন্ড এনভায়রনমেন্ট বিশেষজ্ঞরা।

করোনার ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে উত্তর ভারতে যারা মৌমাছি পালন করেন তারা জানিয়েছেন যে মধু বিক্রয় করে খুব স্বল্প পরিমাণ লাভ হচ্ছে। এবং মধুর মধ্যে চিনি মেশানোর অভিযোগ সামনে এসেছে। তাই তাদের কথা অনুসারে গবেষণা চালানো হয়। এর ফলে ওই মধু খেয়ে শরীরে নানা রকম রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। 

এর ফলে গবেষণা করা হলে ডাবর পতঞ্জলি ও ঝান্ডু এরকম নামি ব্র্যান্ডের মধুর মধ্যে পাওয়া গেছে চিনা চিনি। কিন্তু পতঞ্জলির ডাবর কর্তৃপক্ষের দাবি যে তারা সঠিক পদ্ধতিতে মধু তৈরি করেছেন। তারা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার নিয়ম মেনেই এই মধু তৈরি করেছেন। এতে কোন ভেজাল নেই। 

শুধু সাফোলা, মার্কফেড , নেচারস নেক্টার শুদ্ধতার সবকটি গবেষণায় উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।