বর্তমানে প্রতিবেশী দেশ চীনের সাথে সম্পর্ক একবারের তলানিতে এসে ঠেকেছে ভারতের। তাই চীনের সমস্ত দ্রব্য থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত বর্ষ।
তার পরেও ভারতবর্ষের অনেক কিছু দ্রব্যের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে চিনা দ্রব্য। ডাবর ও পতঞ্জলির মত নামকরা মধুর মধ্যে পাওয়া গেছে চিনা চিনি। এ কথা জানিয়েছেন সেন্টার ফর সাইন্স এন্ড এনভায়রনমেন্ট বিশেষজ্ঞরা।
করোনার ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে উত্তর ভারতে যারা মৌমাছি পালন করেন তারা জানিয়েছেন যে মধু বিক্রয় করে খুব স্বল্প পরিমাণ লাভ হচ্ছে। এবং মধুর মধ্যে চিনি মেশানোর অভিযোগ সামনে এসেছে। তাই তাদের কথা অনুসারে গবেষণা চালানো হয়। এর ফলে ওই মধু খেয়ে শরীরে নানা রকম রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
এর ফলে গবেষণা করা হলে ডাবর পতঞ্জলি ও ঝান্ডু এরকম নামি ব্র্যান্ডের মধুর মধ্যে পাওয়া গেছে চিনা চিনি। কিন্তু পতঞ্জলির ডাবর কর্তৃপক্ষের দাবি যে তারা সঠিক পদ্ধতিতে মধু তৈরি করেছেন। তারা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার নিয়ম মেনেই এই মধু তৈরি করেছেন। এতে কোন ভেজাল নেই।
শুধু সাফোলা, মার্কফেড , নেচারস নেক্টার শুদ্ধতার সবকটি গবেষণায় উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।