এবার পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে হঠাৎ বদলি করে দিল রাজ্য প্রশাসন।

5th December 2020 11:40 am News
এবার পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে হঠাৎ বদলি করে দিল রাজ্য প্রশাসন।


পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে হঠাৎই বদলি করে দিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসন। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারের নাম ছিল সুধীর কুমার যাদব। তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শিলিগুড়ির ডাবগ্রামের র‌্যাফ ব্যাটেলিয়নে। তার বদলে পূর্ব মেদিনীপুরের নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে আনা হয়েছে প্রয়ীন প্রকাশকে। আগে তিনি হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার পদে আসীন ছিলেন। 

তবে হঠাৎ কেন এই বদলি তা নিয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি। জানা গিয়েছে নবান্নের থেকে নির্দেশ এসেছিল ওই পুলিশ সুপারকে বদলি করার জন্য। জন্যই এই পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে। এছাড়াও এর আগেও শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ নেতার পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেছে রাজ্য প্রশাসন। এবার শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে ওই পুলিশ সুপারকে হঠাৎই বদলি করে দেওয়ায়, রাজ্য এবং শুভেন্দুর যে সংঘাত তা ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। 
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী বিধানসভা ভোটের এই আবহে শুভেন্দু অধিকারীর সমস্ত পরিচিত মহলে ভাঙন ধরাতে চাইছে রাজ্য প্রশাসন।

পুলিশ সুপারকেও ঠিক এই কারণেই বদলি করা হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদরা।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।