আজও অধরা ভিমকুন্ড এর ভয়ঙ্কর স্রোতের রহস্য। আজও ২৫০ ফুট নিচের গভীরতা মাপা গেলো না।

5th December 2020 1:22 pm Information
আজও অধরা ভিমকুন্ড এর ভয়ঙ্কর স্রোতের রহস্য। আজও ২৫০ ফুট নিচের গভীরতা মাপা গেলো না।


ভারত বর্ষ হলো ঐতিহ্যপূর্ণ দেশ। ভারতবর্ষের নানা জায়গায় নানা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পরিচয় লক্ষ্য করা যায়। পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে ভারতবর্ষের এই ঐতিহ্য  আকর্ষিত করে। ভারতবর্ষের ঐতিহ্যের মধ্যে অজন্তা, ইলোরা এরকম ধরনের নানা রকম স্থাপত্য দেখা যায়। আরো একটি স্থাপত্য নিদর্শন পাওয়া যায় মধ্যপ্রদেশের ছতরপুর জেলায়। ওই স্থাপত্যের নাম হল ভীমকুণ্ড। অনেকেই এই নামটির সাথে পরিচিত। আবার অনেকেই ভিমকুন্ড এর সাথে পরিচিত নন। 

ভিমকুন্ড এর অপর একটি নাম হল নীলকুন্ড। প্রাচীন মহাকাব্য মহাভারত থেকে এই ভিমকুন্ড এর নিদর্শন পাওয়া যায়। এই ভীমকুণ্ড পিছনে যে ভয়ঙ্কর গভীর রহস্য আছে আসুন জেনে নেয়া যাক। 

মধ্যপ্রদেশের স্থানীয় বাসিন্দারা ভীমকুণ্ড এই জল খুব পবিত্র মনে করেন। মকর সংক্রান্তির দিন পূর্ণ অর্জন করা যায় বলে স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন। 


এই ভীমকুণ্ড অবস্থান মধ্যপ্রদেশের ছতরপুর জেলা থেকে ৭৭ কিলোমিটার গভীর জঙ্গলে। সূর্যের আলো ভীমকুণ্ড জলে পড়লে জলের রং নীল হয়ে যায়। তাই এর আরেকটি নাম নীলকুণ্ড। এর ২৫০ ফুট নিচে যদি কেউ চলে যায় তার অস্তিত্ব পাওয়া যায়না। আজ অব্দি কোন বিশেষজ্ঞ বা বিজ্ঞানীরা জানতে পারেনি ২৫০ ফুট নিচের গভীরতা। তাই আজও ভিমকুন্ড এর রহস্য ভেদ করা সম্ভব হয়নি। ১৯৭৭ সালে প্রশাসন তিনটে পাম্প লাগিয়ে জল তোলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জল তোলার পরও ওই ভিমকুন্ড এর এক ইঞ্চিও জলস্তর কমেনি। 

এই কুণ্ড সৃষ্টি হওয়ার পেছনে মহাভারতে একটি ঘটনা আছে। মহাভারতের গল্পে যখন পান্ডব পুত্ররা অজ্ঞাত বাস কাটাচ্ছিলেন তখন এই ভিমকুন্ড এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় পান্ডবদের স্ত্রী দ্রৌপদীর প্রচন্ড পরিমাণে জল তেষ্টা পায়। কিন্তু ওই গভীর অরণ্যে জল এর সন্ধান কোথায় পাবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন পাণ্ডবরা। আশেপাশে কোন রকম ভাবে জলাশয় খুঁজে পাননি তারা। তখনই কোনরকম পথ না দেখে ভীম নিজের গদা দিয়ে মাটিতে আঘাত করেন। মাটিতে আঘাত করার ফলে মাটি ভেদ করে জল বেরিয়ে আসে। তখন থেকেই এই জলাশয় এর নাম হয় ভীমকুণ্ড





Others News

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।


প্রতিটি মানুষ চান তার জীবন হোক সুখে এবং স্বাচ্ছ্যন্দে ভরপুর। সেই লক্ষ্যে সকলেই পরিশ্রম করে থাকেন। পরিশ্রম ব্যতীত কখনোই সাফল্য চট করে ধরা দেয় না। তবে অনেক সময় দেখা যায় অত্যধিক পরিশ্রম করেও  ‌ কিছুতেই অর্থ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হচ্ছে না । এর জন্য অনেকেই বিভিন্ন জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে অর্থভাগ্য ফিরিয়ে আনতে গেলে , বাড়িতেই আপনি এমন কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন যা আপনার জীবনে টাকা-পয়সার বর্ষণ ঘটিয়ে দেবে । দেখে নিন কি কি সেই জিনিস - 

১) চন্দন কাঠের টুকরো

চন্দন কাঠ অথবা চন্দন কাঠের কোন টুকরো বাড়িতে রাখলে এগুলি বাড়ির পক্ষে খুবই শুভ বলে বিবেচিত হয়। কোন অশুভ শক্তি বাড়ির মধ্যে তার প্রভাব ফেলতে পারে না। 

২) ঘিয়ের শিশি

বাড়িতে ঘুমের প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবানের সামনে রাখলে আর্থিক উন্নতি হয় খুবই দ্রুত। ঘিয়ের শিশি রেখে দিতে হবে বাড়িতে ঠাকুরঘরে‌ ।

৩) ময়ুরপালক

বাড়িতে ময়ূর পালক রাখা অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। ময়ূর পালক রাখলে কোন নেগেটিভ এনার্জি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, এবং আর্থিক উন্নতি হয় তাড়াতাড়ি। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মাথায় ময়ূরের পুচ্ছ বিরাজ করতো। 

৪) মধুর শিশি

বাড়িতে মধু রাখা অত্যন্ত শুভ বলে অনেক হিন্দুরাই মনে করেন। মধু আর্থিক উন্নতিতে একান্তই সহায়ক। 

৫) বাঁশি

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে সব সময় ধরা থাকত বাঁশি। বাড়িতে বাঁশি রাখলে, আর্থিক উন্নতি হয় দ্রুত গতিতে। 

৬) দক্ষিণামুখী শঙ্খ

ঠাকুর ঘরে ঠাকুরের কাছে দক্ষিণামুখী শঙ্খ রাখলে এবং রোজ সেই শঙ্খে জল দিলে আর্থিক উন্নতি আপনার কেউ আটকাতে পারবেনা।