পরিবার দেয়নি বিয়েতে সম্মতি। বিয়ের চেষ্টা করতেই বাবা এবং ভাইয়েরা মিলে কাটলো যুবতীর চারটি আঙ্গুল।

8th December 2020 12:40 pm News
পরিবার দেয়নি বিয়েতে সম্মতি। বিয়ের চেষ্টা করতেই বাবা এবং ভাইয়েরা মিলে কাটলো যুবতীর চারটি আঙ্গুল।


ভারতের বুকে প্রায়শই দেখা যায় অনার কিলিং এর মতো ঘটনা অর্থাৎ পরিবারের অমতে বিয়ের চেষ্টা করলেই মেরে দেয়া হয় ছেলে মেয়েদের। রাজস্থান থেকে শুরু করে উত্তরপ্রদেশ বিভিন্ন জায়গায় এই ঘটনা দেখা গিয়েছে। ক্ষেত্রে পারিবারিক হিংসার বলি হতে হয় ছেলে অথবা মেয়ে কে। পরিবারের অমতে বিয়ের চেষ্টা করে প্রাণ হারিয়েছেন এরকমই বহু তরুণ-তরুণীরা। 

এবার এ রকমই একটি ঘটনা ঘটল কর্নাটকের বুকে। পরিবারের অমতে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন ধনলক্ষ্মী নামক এক যুবতী। তার পরিনামে ওই যুবতীর হাতের চারটি আঙ্গুল কেটে নিল বাবা এবং ভাইয়েরা। 

এই ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের চামারাজনগরের বুকে । পরিবারের অমতে এক যুবককে ভালোবাসতেন ওই যুবতী। ‌ পরিবারের সাথে একপ্রকার লড়াই করে তার ভালোবাসাকে টিকিয়ে রেখেছিলেন ওই যুবতী ধনলক্ষ্মী । এক সময় চাপের মুখে পড়ে পরিবার ত্যাগ করেন ওই যুবতী। অন্য জায়গায় থাকতে শুরু করেন। একদিন একটি ওষুধের দোকানে ওই যুবতীকে দেখতে পায় তার বাবা এবং ভাইয়েরা। সবাই মিলে গিয়ে ওই তরুণীকে বাড়ি ফেরানোর চেষ্টা করে। ‌ কিছুতেই বাড়ি ফিরতে চায়নি ওই যুবতী। তখনই হঠাৎ ওই যুবতীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তার বাবা এবং ভাইয়েরা। ধনলক্ষ্মী কে চেপে ধরে তার হাতের চারটি আঙ্গুল মুহূর্তের মধ্যে কেটে দেয় তার বাবা এবং ভাইয়েরা। ‌ তারপরই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় তারা। এলাকার বাসিন্দারা রক্তাক্ত অবস্থায় ধনলক্ষ্মী কে উদ্ধার করে এবং হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার চারটি আঙ্গুল পুরোপুরি বাদ গিয়েছে। অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বাবার খোঁজে জোরদার তল্লাশি চালানো হচ্ছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।