ভারতে ২০২১ এর ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি তাদের কর্মসূচি পালন করে চলেছে। এই সময় কেন্দ্রীয় সরকার অর্থাৎ বিজেপি সরকার, জনমত আদায়ে সচেষ্ট হয়ে রয়েছে। কিন্তু এই সময় দেশের অভ্যন্তরে কৃষক বিদ্রোহে উত্তাল হয়ে রয়েছে। দিল্লি হরিয়ানা সীমান্তে প্রচুর সংখ্যায় কৃষকরা জড়ো হয়ে কৃষি বিল এর প্রতিবাদে প্রবল বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। এই বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশের মধ্যে, এবং এই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে, বিরোধীদলগুলো এবং সেলিব্রিটিরাও। যার ফলে জনসমর্থন অনেকটাই ক্ষুন্ন হয়েছে বিজেপির প্রতি। আর এই পরিস্থিতিতে আরেকটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এর দাবি যে, আন্তর্জাতিক মহল এবং ভোটের সময় ফায়দা লোটার জন্য ভারত কৃষক বিদ্রোহের দিক থেকে নজর ঘোরাতে ভারত যে কোন মুহূর্তে পাকিস্তানের সার্জিকাল স্ট্রাইক করতে পারে। এর জন্য পাকিস্তান সেনা কে হাই এলার্ট থাকতে বলেছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কিন্তু ভারতীয় সেনা জানিয়েছে তাদের এখনো পর্যন্ত এরকম কোন অপারেশন এর প্ল্যান নেই, বরং পাকিস্তান বারবার সীমান্তে সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে চলেছে। পুঞ্চ সেক্টরে টানা গুলিবর্ষণ চালিয়ে গেছে পাকিস্তান। ভারত পাল্টা গুলি চালিয়ে নিকেশ করে দিয়েছে ২ জন পাকিস্তানের জওয়ানকে।
কিন্তু পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে যথেষ্ট আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। সীমান্তে আরো প্রহরা বাড়িয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।