বর্তমানে প্রতিবেশী দেশ চিনের সাথে সম্পর্ক একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে ভারতের। লাদাখে এলএসি তে পরস্পরের দিকে যুযুধান ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ভারত এবং চীন সেনা। ইতিমধ্যেই গত জুন মাসে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত এবং চীন সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে বেশকিছু ভারতীয় এবং চীন সেনা হতাহত হয়েছে। সীমান্তে বারবার সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে চলেছে।
চিন ব্রহ্মপুত্র নদের উপর বানাতে চলেছে একটি বিশাল জলবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প। জানা গিয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্নগতি পথের প্রারম্ভেই একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বানাতে চলেছে চিন।
এবার ভারতও পাল্টা ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর নির্মাণ করতে চলেছে দেশের দীর্ঘতম ব্রিজ। এই ব্রিজ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ৫০০০ কোটি টাকা মত। দুটি দেশ পরস্পরকে জব্দ করতে সচেষ্ট।
এই আবহের মধ্যেই ভারতীয় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সতর্ক করে দিয়েছে যে চীন এবং পাকিস্তান একযোগে হামলা চালাতে পারে ভারতের উপরে। সেইমতো দুই সপ্তাহেরও বেশি টানা যুদ্ধ চালানোর জন্য, অস্ত্রশস্ত্র এবং অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ভারত-চীন, ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে মজুত করে রাখতে শুরু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এই পরিস্থিতিতে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ভারতীয় সেনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদন করেছে। এই টাকা খরচ হবে সেনার অস্ত্রশস্ত্র, মিসাইল সহ নানান গোলাবারুদ কেনার জন্য। সীমান্তে ভারতীয় সেনা সদা জাগ্রত হয়ে রয়েছে।
সীমান্তে মজুত করা হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইল, উন্নত প্রযুক্তির ট্যাঙ্ক, লেসার গাইডেড মিসাইল এবং বিভিন্ন শক্তিশালী হাউইৎজার, বুলেট। ভারত-চীন সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে রাফায়েল যুদ্ধবিমান।
ভারতীয় সেনা পুরোপুরি তৈরি হয়ে রয়েছে রণ সজ্জায় সজ্জিত হয়ে।