যৌনপল্লীতে গ্রেফতার প্রাক্তন ট্যাক্সিচালক। এক ব্যক্তির ট্যাক্সি চুরি করেছিল অভিযুক্ত।

14th December 2020 5:13 pm News
যৌনপল্লীতে গ্রেফতার প্রাক্তন ট্যাক্সিচালক। এক ব্যক্তির ট্যাক্সি চুরি করেছিল অভিযুক্ত।


আমাদের সমাজে অনেক সময় এমন অন্ধকার দিক গুলি আমাদের সামনে এসে উপস্থাপিত হয় যা দেখে রীতিমত স্তম্ভিত হয়ে যাই আমরা। এরকমই এক ঘটনা ঘটলো দক্ষিণ কলকাতায়। 

শেখ ফিরোজ ওরফে ভোলা নামে এক যুবক হাওড়াতে ট্যাক্সি চুরি করে বিক্রি করার কাজ করতো। সেখান থেকেই যৌনপল্লীতে যাওয়ার নেশা লেগে যায়। সেই সূত্র ধরেই যৌনপল্লী থেকে গ্রেফতার করা হয় ভোলাকে। 

তদন্ত করে পুলিশ জানতে পারে, হরিশ মুখার্জি রোড থেকে একটি ট্যাক্সি চুরি করে ভোলা। কালীঘাট থানায় ট্যাক্সি চুরির অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেখান থেকেই পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে অভিযুক্ত ভোলা কে। ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্যে ধরা পড়ে অভিযুক্ত। 

তাকে জেরা করা হলে সে জানায়, সে বর্ধমানের বাসিন্দা। লকডাউন এর আগে সে ট্যাক্সি চালাত। লকডাউন এর জন্য তার কাজ চলে যায়। এরপর থেকেই ট্যাক্সি চুরি করার কাজে হাত লাগায় সে। ট্যাক্সি চুরি করতে গিয়েই কালীঘাটের যৌনপল্লীতে যাওয়া নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তার। 

শেষ পর্যন্ত যৌনপল্লীতে যাওয়াই তার কাল হয়ে দাঁড়ায়। সেই সূত্র ধরেই ভোলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রীতিমতো তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।