তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মিত্র কে আইনি নোটিস পাঠানো হলো। বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে তাকে।

15th December 2020 1:16 pm News
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মিত্র কে আইনি নোটিস পাঠানো হলো। বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে তাকে।


গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদমাধ্যম। সেখানেই বিতর্কিত ও অভদ্র মন্তব্য করেছিলেন মহুয়া মৈত্র। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর এই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য একাধিক সংবাদমাধ্যম তাকে বয়কট করেছে। 

রবিবার নদীয়ার গয়েশপুর অঞ্চলে তৃণমূলের বৈঠক ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিল নানান সংবাদমাধ্যম। সেখানেই মহুয়া মৈত্র সেই সংবাদমাধ্যমকে ভিডিও করতে বারণ করেন। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের কাজই হলো দেশের সব রকম খবর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তাই সাংবাদিকরা নিজেদের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এর পরেই হঠাৎ করে মহুয়া মৈত্র সংবাদমাধ্যমকে 'দুই পয়সার প্রেস' বলে কটাক্ষ করেন। সেই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। একাধিক সংবাদ মাধ্যমে তাকে বয়কট করে। 

তাকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু তিনি নিজের কথাতে অনড় ছিলেন। পরবর্তীকালে টুইট করে লেখেন 'নিম্নমানের দুঃখজনক সঠিক কথা বলার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী'। অর্থাৎ টুইট করে তিনি এটাই বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি সঠিক কথাই বলেছেন তাও তিনি ক্ষমা প্রার্থনা জানিয়েছেন। 

এর পরেই তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মিত্র কে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিসে জানানো হয় তিনি যেন এই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।