আগুনের গ্রাস থেকে তিন শিশুকে বাঁচিয়ে প্রাণ দিলো দশম শ্রেণীর অকুতোভয় ছাত্র।

15th December 2020 2:04 pm News
আগুনের গ্রাস থেকে তিন শিশুকে বাঁচিয়ে প্রাণ দিলো দশম শ্রেণীর অকুতোভয় ছাত্র।



মানুষ এমন‌ও আছেন যারা কখনোই কাউকে বিপদের মুখে পড়তে দেখলে নির্বিকার ভাবে বসে থাকতে পারেননা। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এমন অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে যে তারা সর্বদাই অপরের সাহায্যার্থে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অনেক সময় এই তরুণ প্রজন্ম অপরকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজের জীবনের পরোয়া করেনা। এরকম উদাহরণ রয়েছে অগুনতি। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে বিহারের বুকে। আগুনের করাল গ্রাস থেকে তিন শিশুকে উদ্ধার করে নিজের জীবন দিলো দশম শ্রেণীর ছাত্র অমিত রাজ। এই ঘটনায় শোকে হতবাক সমগ্র রাজ্যবাসী। 

পুরুলিয়ার সৈনিক স্কুলে পড়াশোনা করতেন ওই কিশোর । তিনি দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। সৈনিক স্কুলে পড়াশোনার সুবাদে ছোটো থেকেই দেশ এবং দেশের প্রতিটি মানুষের মধ্যে তাঁর ছিলো অগাধ শ্রদ্ধা। তাঁর বাড়ি হল বিহারের নালন্দা'য়। করোনার এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সে কয়েকদিন আগে বিহারে গিয়েছিলো তার নিজ বাসভূমিতে। গত ডিসেম্বরের ৩ তারিখে অমিতের বাড়ির পাশের একটি বাড়িতে আগুন লাগে। কিন্তু সবাই সেই আগুন থেকে বেরিয়ে আসলেও তিনটি শিশু আগুনের মধ্যে একটি ঘরে আটকে পড়ে এবং তীব্র চিৎকার করতে থাকে। অমিত ওই শিশুদের উদ্ধার করতে সকলের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঝাঁপিয়ে পড়েন আগুনের লেলিহান শিখার মধ্যে। নিরাপদে সে ওই তিন শিশুকে আগুন থেকে উদ্ধার করলেও নিজে অনেকটাই পুড়ে যায় বীরপুত্র অমিত। জানা গিয়েছে যে তার শরীর প্রায় ৮৫% পুড়ে গিয়েছিলো। কতটুকু বয়স অমিতের ? মাত্র ১৬ বছর। কিন্তু এই বয়সেই এই হার না মানা কিশোরের জেদ বাঁচিয়ে দিয়ে গেলো তিনটি তরতাজা প্রাণ। কিন্তু শেষরক্ষা হলনা এই বীর কিশোরের ।

পাটনা হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো অমিতকে। সেখানেই জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে এই বীর কিশোরের। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত সমগ্র পুরুলিয়াবাসী থেকে শুরু করে বিহার তথা সমস্ত দেশবাসী। এই কিশোরের সাহসী মানসিকতা সকলকেই স্তম্ভিত করে দিয়েছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।