নাবালিকা কিশোরীকে ক্রমাগত ধর্ষণ করতো তার দাদা এবং বন্ধুরা। হাসপাতালে সন্তান প্রসব করল নির্যাতিতা।

16th December 2020 11:36 am News
নাবালিকা কিশোরীকে ক্রমাগত ধর্ষণ করতো তার দাদা এবং বন্ধুরা। হাসপাতালে সন্তান প্রসব করল নির্যাতিতা।


বর্তমানে ভারতে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনায় প্রশ্নচিহ্ন উঠতে শুরু করেছে ভারতে নারীসুরক্ষা ব্যবস্থার উপরে। হাথরাস থেকে শুরু করে মহারাষ্ট্র , বিহার, রাজস্থান প্রভৃতি একের পর এক জায়গা থেকে নিরন্তর আসছে নারী নির্যাতনের খবর। হাথরাসে পৈশাচিক ধর্ষণের পর নির্যাতিতা তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় সারা ভারতজুড়ে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে।  হাথরাসের পর বলরামপুরেও এ রকমই এক পৈশাচিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরপর ভারতের বুকে বেশ কিছু নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। 

এবার একটি জঘন্য এবং পৈশাচিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের নাগপুর জেলায়। ‌ হাসপাতালের এক ধর্ষিতা নাবালিকা কিশোরী সন্তানের জন্ম দিয়েছে। সবথেকে ঘৃণ্য বিষয় এটাই যে ওই কিশোরী কে ক্রমাগত ধর্ষণ করেছে তার নিজের দাদা এবং দাদার বন্ধুরা মিলে। ‌ কিশোরীর পরিবার সমস্ত ঘটনা জানলেও লোকলজ্জার ভয়ে মুখ খোলেনি। ‌ ক্রমাগত ধর্ষণের পর কিশোরীকে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং হাসপাতালে একটি সন্তানের জন্ম দেয়। কিশোরী নাবালিকা এবং অবিবাহিতা হওয়ায় পুলিশে খবর দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পুলিশ কিশোরীর পরিবারকে জেরা করতেই আসল তথ্য প্রকাশ্যে আসে।

তার দাদা এবং দাদার বন্ধুদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের সকলের মেডিকেল টেস্ট করানো হয়েছে। সন্তানের ডিএনএ টেস্ট করে বোঝা যাবে যে ওই সন্তানের পিতা কে ! বর্বরোচিত এই ঘটনায় সারা দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।