দিল্লি হাইকোর্ট রায় দিলো- বিয়ের প্রতিশ্রুতি মানেই তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না।

18th December 2020 5:17 pm News
দিল্লি হাইকোর্ট রায় দিলো- বিয়ের প্রতিশ্রুতি মানেই তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না।


বর্তমানে বেশ কিছু ক্ষেত্রে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের কেশ উপস্থাপিত হয় বিভিন্ন আদালতে। সারা ভারতজুড়ে এই ঘটনা হামেশাই ঘটে চলেছে। ‌ এবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি এক অন্য ধরনের রায় প্রদান করলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্টে এ রকমই একটি বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের মামলার শুনানি ছিল। ‌ সেখানেই বিচারপতি বলেছেন, "বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস এর অর্থ কখনোই সবক্ষেত্রে ধর্ষণে পর্যবসিত হতে পারেনা। অনেকদিন ধরে কোন ব্যক্তির সঙ্গে যদি কোন মহিলার শারীরিক সম্পর্ক করে থাকেন তাহলে তিনি সেটা স্ব ইচ্ছায় করছেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস তখনই ধর্ষণ বলে গণ্য হবে যখন তা ওই মহিলার সম্পূর্ণ ইচ্ছার বিরুদ্ধে সহবাস করা হবে। 

দিল্লি হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন এক মহিলা। তিনি বলেছিলেন বিগত ২০০৯ সাল থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি তার সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বারংবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। কিন্তু বিয়ের কথা বলতেই বেঁকে বসেন ওই ব্যক্তি। তখনই ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস এর অভিযোগ দায়ের করেন অভিযোগকারিনী মহিলা। 

এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি উদ্ধৃত রায়দান করেছেন ।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।